📌 নীলফামারী জেলার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে শিশু ধর্ষণ মামলায় আসামি মো. মোখছেদ আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছে। এক বছরের মধ্যে দ্রুত বিচার পাওয়ায় ভুক্তভোগীর পরিবার সন্তুষ্ট
নীলফামারী জেলায় শিশু ধর্ষণ মামলায় বিচারক মো. মাসুদ করিমের নেতৃত্বে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে আসামি মো. মোখছেদ আলী (৫৬)কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ প্রদান করা হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগের দৃঢ় পদক্ষেপের প্রতীকিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নীলফামারী জেলার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে মো. মোখছেদ আলী (৫৬) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানায় দণ্ডিত
- 📌 ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট দক্ষিণ সোনাখুলি তহশিলদার পাড়া গ্রামে শিশুটি নিজের নাতনির সঙ্গে খেলছিল, তখনই আসামি ধর্ষণ করে
- 📌 মামলায় এক বছরের মধ্যে সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে দ্রুত রায় প্রদান করা হয়েছে
- 📌 ভুক্তভোগীর বাবা সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেছেন, দ্রুত বিচার পেলে সমাজে শিশু নির্যাতন কমবে
- 📌 আদালতের নির্দেশে জরিমানার টাকা ভুক্তভোগীকে দেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার দক্ষিণ সোনাখুলি তহশিলদার পাড়া গ্রামের মৃত বাছরা প্রামাণিকের ছেলে মো. মোখছেদ আলী (৫৬) শিশু ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন। বিচারক মো. মাসুদ করিমের রায় অনুযায়ী, আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট দুপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মোখছেদ আলীর বাড়ির উঠানে শিশুটিকে নিজের নাতনির সঙ্গে খেলছিল। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অনুপস্থিতিতে আসামি শিশুটিকে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের কাছে ঘটনা জানালে ওই শিশুর বাবা নিজে বাদী হয়ে সৈয়দপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলায় এক বছরের মধ্যে সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে বিচারক দ্রুত রায় প্রদান করেন। এই রায়ে বিচার বিভাগের দ্রুততার প্রশংসা করে শিশুটির বাবা বলেন, “এভাবে ভুক্তভোগীরা দ্রুত বিচার পেলে সমাজে ধর্ষণের মতো ঘটনা কমবে। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট।” শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর আসাদুজ্জামান খান জানান, ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, “অর্থদণ্ডের টাকা ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।”
এই রায়ের মাধ্যমে নীলফামারী জেলায় শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগের দৃঢ় পদক্ষেপের প্রতীকিত হয়েছে। শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার পাওয়ায় ভুক্তভোগীর পরিবার সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে।
"এভাবে ভুক্তভোগীরা দ্রুত বিচার পেলে সমাজে ধর্ষণের মতো ঘটনা কমবে। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নীলফামারী জেলা, সৈয়দপুর উপজেলা, দক্ষিণ সোনাখুলি তহশিলদার পাড়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মোখছেদ আলী (৫৬), বিচারক মো. মাসুদ করিম, পাবলিক প্রসিকিউটর আসাদুজ্জামান খান, শিশুটির বাবা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬ বছর, ৫০ হাজার টাকা, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!