📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে পাস হওয়া একটি বিলে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। রাশিয়া ও ইরানের তেল বাণিজ্যকে লক্ষ্য করে এই নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবিত হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ায় পাস হওয়া বিলে ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই শুল্কের লক্ষ্য রাশিয়া ও ইরানের তেল বাণিজ্যকে সংকুচিত করে ইউক্রেন যুদ্ধে তাদের অর্থের প্রবাহ বন্ধ করা। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ বিলটি চূড়ান্ত ভোটের জন্য প্রস্তুত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র করছে — ভারত, চীন, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান ও কিরগিজস্তান।
- 📌 রাশিয়া ও ইরানের তেল বাণিজ্যকে লক্ষ্য করে এই শুল্ক প্রস্তাব করা হয়েছে, যা ইউক্রেন যুদ্ধে তাদের অর্থের যোগান বন্ধ করতে চায়।
- 📌 মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ২১৪-২১১ ভোটে বিলের প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছে, সিনেটে আগেই ৮৬-১১ ব্যবধানে পাস হয়েছিল।
- 📌 প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষর করলে এই বিল আইনি রূপ পাবে।
- 📌 গ্রেগরি মিকস (হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য) এই শুল্ক বিলের বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ বিলটি ১৬ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত ভোটের জন্য প্রস্তুত। এই বিলে রাশিয়ার তেল বা জ্বালানি পণ্য ক্রয় অব্যাহত রাখায় ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই দেশগুলো হলো ভারত, চীন, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান ও কিরগিজস্তান। মার্কিন নীতিপ্রণেতারা মনে করছেন, এই শুল্কের মাধ্যমে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বাণিজ্য ও রাজস্ব আদায় সংকুচিত করে ইউক্রেন যুদ্ধে তাদের অর্থের যোগান পুরোপুরি বন্ধ করা যেতে পারে।
বিলে রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান ও তাদের বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে তেল বহনে ব্যবহৃত গোপন ‘ছায়া বহর’ (শ্যাডো ফ্লিট)-এর ওপর কঠোর নজরদারি ও শাস্তির সিদ্ধান্তও রাখা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতে, ভারতসহ এশিয়ার শীর্ষ ক্রেতারা সরাসরি নিষেধাজ্ঞা এড়াতে বিকল্প উপায়ে তেল আমদানি চালু রাখায় এবার মিত্রদের ওপরও শুল্কের অস্ত্র ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে।
বিলটি মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ২১৪-২১১ ভোটে অনুমোদিত হয়। সিনেটে আগেই ৮৬-১১ ব্যবধানে পাস হওয়া এই আইনটি প্রতিনিধি পরিষদে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষর করলে এটি আইনি রূপ পাবে।
"এই বিলটি পাস হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে শুল্ক চাপানোর অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা দেবে, যা শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের বৈশ্বিক জোট ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ধস নামাতে পারে।"
গ্রেগরি মিকস (হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য)
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (প্রতিনিধি পরিষদ, সিনেট), ওয়াশিংটন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, গ্রেগরি মিকস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০টি দেশ, ১০০ শতাংশ শুল্ক, ২১৪-২১১ ভোট, ৮৬-১১ ভোট, ১৬ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!