📌 জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার নির্বাচন কমিশনের মেরুদণ্ডহীনতা ও সরকারের হস্তক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও প্রশাসকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা সংবিধানের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আটটি দাবি জানিয়েছেন তিনি
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, মেরুদণ্ডহীন কমিশন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তিনি মন্তব্য করেছেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে সরকারের হস্তক্ষেপ ও মন্ত্রীদের মন্তব্যের পরের দিনই সময়সূচি পরিবর্তন করা দেশবাসীদের বিবেচনার বিষয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার নির্বাচন কমিশনের মেরুদণ্ডহীনতা সমালোচনা করেছেন
- 📌 ১৪ সেপ্টেম্বর ঘোষিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিবর্তিত হলে পরওয়ার বলেছেন, "এত নতজানু কমিশন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়"
- 📌 নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন: "মন্ত্রীর কথা শিরোধার্য বলে মন্তব্য করলেও মেরুদণ্ড কোথায়?"
- 📌 এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও প্রশাসকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের বিরুদ্ধে বলে দাবি করেছেন পরওয়ার
- 📌 নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আটটি দাবি জানিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে নির্বাচন বিলম্বিত না করা ও সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা
- 📌 প্রশাসকদের পদত্যাগ ও নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা দাবি করেছেন, কারণ তারা সরকারি অর্থ ব্যয় করে পরোক্ষভাবে প্রচার করছে
📰 বিস্তারিত
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার আজ বুধবার রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করে প্রথম ধাপের নির্বাচন ১২ নভেম্বর এবং শেষ ধাপের নির্বাচন ২৭ মে করার পরিকল্পনা জানিয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের মন্তব্যের পর কমিশন তার ঘোষিত সময়সূচিকে ‘পুরোপুরি প্রাথমিক’ বলে পুনর্ব্যাখ্যা করে। পরওয়ার বলেছেন, "তফসিল ঘোষণার পর মন্ত্রীর মন্তব্যের পরের দিনই সময়সূচি পরিবর্তন করা—এত নতজানু কমিশন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।"
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং অতিরিক্ত সচিব শামসুল আলম বিএনপির প্রতিনিধিত্ব করছেন। পরওয়ার প্রশ্ন করেছেন, "তাঁরা কোনো সাংবিধানিক দায়িত্বের প্রতিনিধিত্ব করছেন বলে মনে হচ্ছে না। তাহলে কী করে একজন সিনিয়র সেক্রেটারি মন্ত্রীর কথা শিরোধার্য বলে মন্তব্য করলেও মেরুদণ্ড কোথায়?"
এছাড়া, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অযোগ্য করার উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরওয়ার। তিনি বলেছেন, অতীতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এখন তাদের অযোগ্য ঘোষণা সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের বিরুদ্ধে। তিনি প্রশাসকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা ও পদত্যাগের দাবিও জানিয়েছেন, কারণ তারা সরকারি অর্থ ব্যয় করে পরোক্ষভাবে প্রচার করছে।
"তফসিলের প্রাথমিক ঘোষণার পর মন্ত্রীর মন্তব্যের পরের দিনই ভোল পাল্টে ফেলা—এত নতজানু, এত মেরুদণ্ডহীন ইলেকশন কমিশন দিয়ে এই ইলেকশন তো কখনো সুষ্ঠু হতে পারে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মগবাজার, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ সেপ্টেম্বর, ১২ নভেম্বর, ২৭ মে, ২৪ ঘণ্টা, ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!