📌 ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেছেন আদালত। দুদক প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় নতুন তারিখ দেওয়া হয়
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ে দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) আদালতে এই দিন নির্ধারণ করা হয়। তবে তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে মেঘনা-গোমতী সেতু টোল দুর্নীতির মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ
- 📌 শেখ হাসিনাসহ ১৭ জন আসামি — তাদের মধ্যে সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাবেক সচিব এমএএন ছিদ্দিক, অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক জলিল, উপসচিব মোহাম্মদ শফিকুল করিম, প্রধান প্রকৌশলী মো. ফিরোজ ইকবাল, ইবনে আলম হাসান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আফতাব হোসেন খান, মো. আব্দুস সালাম, সিএনএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীর উজ জামান চৌধুরী, পরিচালক সেলিনা চৌধুরী ও ইকরাম ইকবাল
- 📌 ২০১৬ সালে সিএনএস লিমিটেডকে একক দরপত্রের মাধ্যমে ৫ বছরের জন্য টোল আদায়ের চুক্তি দেওয়া হয়, যেখানে ১৭.৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ নির্ধারণ করা হয়
- 📌 ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বিল গ্রহণ করে সিএনএস লিমিটেড, যা সরকারের প্রায় ৩০৯ কোটি টাকা ক্ষতি করেছে বলে দুদক দাবি
- 📌 গত ২১ ডিসেম্বর আদালত ১৭ আসামির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে
📰 বিস্তারিত
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক তানজিল হাসান জানান, মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালে টোল আদায়ের জন্য আগের দরপত্র বাতিল করে শুধু ‘সিএনএস লিমিটেড’-এর সঙ্গে আলোচনা করে চুক্তি করা হয়। এই চুক্তিতে ১৭.৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ নির্ধারণ করা হয়। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, একই সেতুর টোল আদায়ে ২০১০-২০১৫ সালে এমবিইএল-এটিটি মাত্র ১৫ কোটি টাকা খরচ করেছিল, কিন্তু ২০২২-২০২৫ মেয়াদে ‘ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেড’-কে ৬৭ কোটি টাকা খরচে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। এছাড়াও সিএনএস লিমিটেড ‘নতুন প্রযুক্তি স্থাপন’ বাবদ আরও ৬৭ কোটি টাকা দাবি করেছে।
দুদকের তদন্তে জানা যায়, সিএনএস লিমিটেডের পরিচালক, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের কর্মকর্তা, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সদস্যরা পরস্পর যোগসাজশে এই অনিয়ম করেছেন। মামলাটি গত ১২ অক্টোবর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ সহকারী পরিচালক তানজিল হাসান বাদী হয়ে দায়ের করেন।
"২০১৬ সালে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের জন্য আগের দরপত্র বাতিল করে একক প্রতিষ্ঠানকে চুক্তি দেওয়া হয়েছে। এই চুক্তির ফলে সরকারের প্রায় ৩০৯ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, দুদকের সহকারী পরিচালক তানজিল হাসান, সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ জন আসামি, ১০ ডিসেম্বর (প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ), ৪৮৯ কোটি টাকা (সিএনএস লিমিটেডের বিল), ৩০৯ কোটি টাকা (গণিতিক ক্ষতি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!