📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মানিকগঞ্জে প্রবাসী একরামের আত্মহত্যা: স্ত্রী ও মেয়ে হত্যার পর দুটি পৃথক মামলা দায়ের

মানিকগঞ্জে প্রবাসী একরামের আত্মহত্যা: স্ত্রী ও মেয়ে হত্যার পর দুটি পৃথক মামলা দায়ের

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানিকগঞ্জের কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে প্রবাসী একরাম হোসেন (৪২) স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা আক্তার (২৫) ও দেড় বছরের মেয়ে আলিজাকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যা করেন। ঘটনায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে: একটি হত্যা মামলা এবং একটি অপমৃত্যু মামলা

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বারাহিরচর জান্নাকান্দি এলাকায় একটি পরিবারের ত্রিকোণীয় নরকমূলক ঘটনা ঘটেছে। প্রবাসী একরাম হোসেন (৪২) তার দ্বিতীয় স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা আক্তার (২৫) ও দেড় বছরের মেয়ে আলিজাকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে: একটি হত্যা মামলা এবং একটি অপমৃত্যু মামলা। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনির হোসেন ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **মানিকগঞ্জে প্রবাসী একরাম হোসেন (৪২) নিজ বাড়ির কক্ষে স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা আক্তার (২৫) ও দেড় বছরের মেয়ে আলিজাকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যা করেন।
  • 📌 **প্রিয়াঙ্কার বড় বোন মিশু বেগম হত্যা মামলায় একরামকে প্রধান আসামি করে মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
  • 📌 **একরামের মা তাহমিনা বেগম পৃথকভাবে ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।
  • 📌 **পুলিশের প্রাথমিক ধারণা: পারিবারিক কলহে একরাম প্রথমে স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যা করেন।
  • 📌 **একরাম সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে আসেন। তার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল।
  • 📌 **মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকেও আসামি করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

শনিবার রাতে একরামের বাড়িতে ঘুমের সময় ঘটনাটি ঘটে। শনিবার বেলা পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয় যখন একরামের মা দরজা ধাক্কা দিলেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় এলাকাবাসিকে জানানো হয়। দরজা ও জানালা বন্ধ থাকায় পুলিশের তদন্তে দেখা যায় একরাম ফ্যানের সাথে ফাঁস নিয়ে ঝুলে আছেন। তার পাশেই স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ মেঝেতে পড়ে আছে। তিনজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

একরামের পরিবার জানায়, শুক্রবার রাতে একরাম ঘুমাতে যান। পরের দিন বেলা বাড়লেও কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় পরিবার সন্দেহে পুলিশকে খবর দেন। স্থানীয় বাসিন্দা মামুনুর রশিদ বলেন, একরাম সৌদি আরবে প্রবাসজীবন কাটাতেন। তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সৌদি আরব থেকে দেশে এসেছিলেন। তবে পরিবারের সদস্যদের মনে হয়েছিল একরাম কিছুটা অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন।

প্রিয়াঙ্কার বাবা মোহাম্মদ মহসিন খান দাবি করেন, তার মেয়ের সঙ্গে একরামের কোনো দাম্পত্য বিরোধ ছিল না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের কেউ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে তিনি অভিযোগ করেন। প্রিয়াঙ্কার ভাই ইয়াসিন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।

"আমার বোন ও ভাগনিকে হত্যার অভিযোগে একরামকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকতে পারে সন্দেহে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকেও আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"

— মিশু বেগম, প্রিয়াঙ্কার বড় বোন ও মামলার বাদী

মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনির হোসেন বলেন, ঘটনার নিবিড় তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন, ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত এবং তদন্তে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে তিনজনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও অন্য কারও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হবে। তিনি আরও বলেন, একরাম জীবিত থাকাকালীন স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যা করেছিলেন। এ কারণে তার নামেও হত্যা মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে তার মৃত্যুর বিষয়টি আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা, কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন, বারাহিরচর জান্নাকান্দি (৯ নম্বর ওয়ার্ড)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: একরাম হোসেন (৪২), প্রিয়াঙ্কা আক্তার (২৫), আলিজা নূর, মিশু বেগম, মো. মনির হোসেন (ওসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ), ৯ নম্বর ওয়ার্ড, ৪২ বছর (একরামের বয়স), ২৫ বছর (প্রিয়াঙ্কার বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖