📌 রংপুরের কাউনিয়া থানায় মাদরাসা শিক্ষক আজিজুল হাকিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে রুমে ডেকে নিয়ে শরীর টিপে নেওয়ার নামে ধর্ষণ করা হয়। মাদরাসা কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষককে পালিয়ে দেওয়ার অভিযোগে আক্রান্ত হয়
রংপুরের কাউনিয়া থানায় মাদরাসা শিক্ষক আজিজুল হাকিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে শরীর টিপে নেওয়ার নামে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের কাউনিয়া থানায় মাদরাসা শিক্ষক আজিজুল হাকিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে শরীর টিপে নেওয়ার নামে ধর্ষণ করা হয়।
- 📌 গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়া শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত শিক্ষক তার কক্ষে ডেকে নিয়ে ম্যাসাজের নামে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ভয় দেখিয়ে বিষয়টি কাউকে না জানাতে বলা হয়।
- 📌 সোমবার রাতে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করার সময় শিক্ষার্থী পালিয়ে বাড়ি ফিরে ঘটনাটি স্বজনদের জানায়।
- 📌 মাদরাসা কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষককে পালিয়ে দেওয়ার অভিযোগে আক্রান্ত হয়। অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদরাসার পরিচালকের ছেলের জিম্মায় রেখে ক্লাসে যান অন্য শিক্ষকরা। পরে শালিসের আগে তাকে গোপনে সরিয়ে দেওয়া হয়।
- 📌 আজিজুল হাকিম (২৪) বদরগঞ্জ উপজেলার পশ্চিমপাড়া নাটারাম এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে। তিনি এখন পলাতক অবস্থায় রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
রংপুরের কাউনিয়া থানায় মাদরাসা শিক্ষক আজিজুল হাকিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযুক্ত শিক্ষক আজিজুল হাকিম (২৪) রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার পশ্চিমপাড়া নাটারাম এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে।
গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মাদরাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। পরে অভিযুক্ত শিক্ষক শরীর টিপে নেওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে তার কক্ষে ডেকে নেন। ম্যাসাজের একপর্যায়ে তাকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে না জানাতে ভয়ভীতিও দেখানো হয় শিক্ষার্থীকে। এরপর গতকাল সোমবার রাতে ওই শিক্ষার্থীকে তার কক্ষে ডেকে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ওই শিক্ষার্থী কৌশলে কক্ষ থেকে বের হয়ে বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি স্বজনদের জানায়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার সকালে শালিস করার কথা বলে তাদের আশ্বস্ত করেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদরাসার পরিচালকের ছেলের জিম্মায় রেখে ক্লাসে যান অন্য শিক্ষকরা। পরে শালিসের আগে অভিযুক্ত শিক্ষককে গোপনে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনা জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
ভুক্তভোগী শিশুশিক্ষার্থী জানায়, মাদরাসার আজিজুল হুজুর প্রায় রাতে রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে শরীর ম্যাসাজের নামে খারাপ কাজ করতে বলেন। হুজুরের কথায় রাজি না হলে রড ও পাইপ দিয়ে মারপিট করতেন। সোমবার রাতে তাকে রুমে ডেকে নিয়ে খারাপ কাজ করার চেষ্টা করেন। এ সময় টয়লেট যাওয়ার কথা বলে রুম থেকে বের হয়ে বাড়িতে পালিয়ে যাই। এর আগেও খারাপ কাজ করেছেন হুজুর। ব্যাথা হলেও বাইরে কাউকে যেন না বলি সেজন্য ভয়ভীতি দেখাতেন বলেও জানায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।
অভিযুক্ত শিক্ষককে পালিয়ে দেওয়ার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাদরাসা পরিচালকের ছেলে রায়হান জানান, ওই শিক্ষককে পালাতে তিনি সহযোগিতা করেননি। সকালে কীভাবে সবার অগোচরে পালিয়ে গিয়েছেন তা তিনি জানেন না। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই মাদরাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছিল, কিন্তু মাদরাসা কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দিত।
"মাদরাসার আজিজুল হুজুর প্রায় রাতে রুমে ডেকে নিয়ে শরীর ম্যাসাজের নামে খারাপ কাজ করতে বলেন। হুজুরের কথায় রাজি না হলে রড ও পাইপ দিয়ে মারপিট করতেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাউনিয়া, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আজিজুল হাকিম (২৪), ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী, রায়হান (মাদরাসা পরিচালকের ছেলে), পুলিশ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিহাব উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ বছর (আজিজুল হাকিমের বয়স), ৩ সেপ্টেম্বর (প্রথম ঘটনা), ৮ সেপ্টেম্বর (মামলা দায়ের)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!