📌 রংপুরের কাউনিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষকের হাতে একটি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করা হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষও ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠিয়েছেন
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় অবস্থিত একটি মাদ্রাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে শিক্ষকের হাতে একটি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক অবস্থায় রয়েছে এবং মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ঘটনাটি মীমাংসা না করে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের কাউনিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষকের হাতে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাটি ঘটে গত ৩ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাতে।
- 📌 ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠিয়েছেন যে, তারা ঘটনাটি মীমাংসা না করে অভিযুক্ত শিক্ষককে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছেন।
- 📌 অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক অবস্থায় রয়েছে এবং পুলিশের চেষ্টা চলছে তাঁকে গ্রেপ্তার করা।
- 📌 ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, মাদ্রাসার ওই শিক্ষক প্রায়ই শরীর টিপে নেওয়ার নামে শিক্ষার্থীদের মারধর করতেন।
- 📌 ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য উপস্থিত হয়।
📰 বিস্তারিত
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় অবস্থিত একটি মাদ্রাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে শিক্ষকের হাতে একটি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক অবস্থায় রয়েছে এবং মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ঘটনাটি মীমাংসা না করে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাতে, শিক্ষার্থীরা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষক শরীর টিপে নেওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে তাঁর কক্ষে ডেকে নেন। ম্যাসাজের একপর্যায়ে শিক্ষক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন। শিক্ষার্থীকে ভয় দেখিয়ে বিষয়টি কাউকে জানাতে বলা হয়। এরপর গতকাল রাতে শিক্ষক আবারও শিক্ষার্থীকে কক্ষে ডেকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিক্ষার্থী কৌশলে কক্ষ থেকে বের হয়ে বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি স্বজনদের জানান।
স্বজনরা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে ঘটনাটি জানালে, কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করার পরিবর্তে তাঁকে মাদ্রাসার পরিচালকের ছেলের জিম্মায় রেখে ক্লাসে যান অন্য শিক্ষকরা। পরে সালিসের আগে অভিযুক্তকে গোপনে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনা জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, ‘মাদ্রাসার ওই শিক্ষক প্রায়ই রাতে ডেকে নিয়ে শরীর টিপে নেওয়ার নামে খারাপ কাজ করতেন। রাজি না হলে রড ও পাইপ দিয়ে মারপিট করতেন।’ স্থানীয়রা জানান, ওই মাদ্রাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দিতেন।
"মাদ্রাসার ওই হুজুর প্রায়ই রাতে ডেকে নিয়ে শরীর টিপে নেওয়ার নামে খারাপ কাজ করতেন। রাজি না হলে রড ও পাইপ দিয়ে মারপিট করতেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাউনিয়া, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী, অভিযুক্ত শিক্ষক, মাদ্রাসা পরিচালক, শিহাব উদ্দিন (কাউনিয়া থানার পরিদর্শক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!