📌 রাজবাড়ীতে জয়িতা পুরস্কারপ্রাপ্ত নারী উদ্যোক্তা জাকিয়া সুলতানাকে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ারও দাবি করেছেন
রাজবাড়ী জেলায় জয়িতা পুরস্কারপ্রাপ্ত নারী উদ্যোক্তা জাকিয়া সুলতানাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মারধর ভিডিওর ঘটনায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দাবি জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আম্রকানন চত্বরে সংবাদ সম্মেলন আয়োজিত হয়, যেখানে তিনি জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জয়িতা পুরস্কারপ্রাপ্ত উদ্যোক্তা জাকিয়া সুলতানাকে রাজবাড়ী শহরের বড় বাজারে পুলিশের উপস্থিতিতে মারধর করা হয়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
- 📌 ৩১ আগস্ট মামলা দায়েরের পর পুলিশ ৩ জন গ্রেফতার করে, কিন্তু আদালতে জামিন পেয়ে তারা মুক্ত হন।
- 📌 ৮ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনে জাকিয়া সুলতানা দাবি করেন, ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে, কিন্তু ৫০ থেকে ৬০ জন অজ্ঞাতনামা আসামিও জড়িত থাকার অভিযোগ করেন।
- 📌 তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি, কিন্তু তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আজ পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে।
- 📌 রাজবাড়ী বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির দায়িত্বশীলদেরও ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ করে তিনি।
📰 বিস্তারিত
‘আস্থা পোশাক শিল্প গার্মেন্টস’-এর উদ্যোক্তা জাকিয়া সুলতানা বলেন, তার সাবেক কর্মচারী শাহনাজ পারভীন বৃষ্টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়িয়ে দিয়েছেন। ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি কর্তৃক তদন্তের পরও তার বিরুদ্ধে কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের তদন্তে সত্য উদ্ভাসিত হওয়ার পরও আমার ব্যবসা বন্ধ রয়েছে। আমার কর্মচারীদের রুজি-রোজগার বন্ধ। আমার তৈরি পোশাকসামগ্রী দোকানে আটকে থেকে নষ্ট হচ্ছে।’
জাকিয়া সুলতানা সংবাদ সম্মেলনে দুটি মূল দাবি তুলে ধরেন। প্রথমত, শাহনাজ পারভীন বৃষ্টির বিরুদ্ধে মানহানি ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ তদন্তের দাবি জানান। দ্বিতীয়ত, রাজবাড়ী বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির দায়িত্বশীলদের ঘটনায় জড়িত থাকার তদন্তের দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘যারা শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে বা এ ঘটনায় মদদ দিয়েছে, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
জাকিয়া সুলতানা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্বাভাবিকভাবে পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা চান না। আইন ও বিচারের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।’
"আমার প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মচারী শাহনাজ পারভীন বৃষ্টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি তদন্ত করেছেন। তদন্ত প্রতিবেদনে আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় (আম্রকানন চত্বর), রাজবাড়ী বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাকিয়া সুলতানা (জয়িতা পুরস্কারপ্রাপ্ত উদ্যোক্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ সেপ্টেম্বর (সংবাদ সম্মেলন), ২৯ আগস্ট (মারধর ভিডিও ছড়ানো), ১১ টা (মারধর ঘটনার সময়), ৩১ আগস্ট (মামলা দায়ের), ৯ জন (নাম উল্লেখিত আসামি), ৫০-৬০ জন (অজ্ঞাতনামা আসামি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!