📌 কিশোরগঞ্জের দুটি সরকারি হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ১৭ দালালকে গ্রেফতার করেছে। রোগীদের টার্গেট করে বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হতো তাদের। পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেছেন, দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে
কিশোরগঞ্জের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ও শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশের অভিযানে দালাল চক্রের ১৭ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিনভর পরিচালিত এই অভিযানে প্রথমে ৩২ জনকে আটক করা হয়, পরে তাদের মধ্যে ১৭ জনের বিরুদ্ধে দালাল চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কিশোরগঞ্জের দুটি সরকারি হাসপাতালে পুলিশের অভিযানে ১৭ দালাল গ্রেফতার
- 📌 অভিযানে প্রথমে ৩২ জন আটক, পরে ১৭ জনের বিরুদ্ধে দালাল চক্রের অভিযোগ প্রমাণিত
- 📌 রোগীদের টার্গেট করে বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হতো তাদের
- 📌 পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেছেন, দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে
- 📌 জেলার প্রত্যন্ত এলাকার অসহায় রোগীদেরকে মূল টার্গেট করা হতো
📰 বিস্তারিত
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সরকারি হাসপাতালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে একটি দালাল চক্র সক্রিয় ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হয়। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর দালাল চক্রের সদস্যদের তালিকা তৈরি করা হয়। সেই তালিকার ভিত্তিতে অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতাল এলাকায় অবস্থান করে গ্রাম থেকে চিকিৎসার জন্য আসা অসহায় ও সাধারণ রোগীদের টার্গেট করতেন। তাদের সঙ্গে সখ্যতা তৈরি করে উন্নত চিকিৎসা, দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা কম খরচে চিকিৎসার কথা বলে প্রলুব্ধ করা হতো। পরে রোগী ও তাদের স্বজনদের সরকারি হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হতো। এতে রোগী ও তাদের স্বজনরা হয়রানির শিকার হন এবং প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ সুপার বলেন, ‘দালাল চক্রের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সরকারি হাসপাতাল এলাকায় কোনো ধরনের দালাল চক্রের তৎপরতা সহ্য করা হবে না।’ বিশেষ করে জেলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে চিকিৎসার জন্য আসা অসহায় রোগীরাই এসব দালালের প্রধান টার্গেট ছিল।
"সরকারি হাসপাতালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে একটি দালাল চক্র সক্রিয় রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে পর্যবেক্ষণ করা হয়। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর দালাল চক্রের সদস্যদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়। সেই তালিকার ভিত্তিতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জ সদর, জেনারেল হাসপাতাল ও শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (পুলিশ সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ জন গ্রেফতার, ৩২ জন আটক, ২৫০ শয্যা হাসপাতাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!