📌 সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের এসআই আলতাফ হোসেনের হত্যার মামলায় আরও ৮ আসামিকে আদালত বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে পাঠিয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশ করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে এবং দোকানে ভাঙচুর করে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি ও দুই লাখ ২০ হাজার টাকা লুট করে পালিয়ে যায়
সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলতাফ হোসেন (৫৮) পিটিয়ে হত্যার মামলায় আরও ৮ আসামিকে আদালত বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে পাঠিয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগের শুনানির পর এই আদেশ দেন। রিমান্ডে পাঠানো আসামিদের মধ্যে রয়েছে মো. আলাউদ্দিন (২৯), মো. আপন (২৬), মো. জিহাদ (২৩), ইমরান হোসেন (২৫), নূর মোহাম্মদ রুদ্র (২৪), মো. গোলাম রাব্বি (২২), বিল্লাল (৩৪) এবং দেলোয়ার হোসেন (৩৩)। প্রথম ছয়জনকে ৫ দিনের এবং বিল্লাল ও দেলোয়ার হোসেনকে ৩ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের এসআই আলতাফ হোসেনের হত্যার মামলায় ৮ আসামিকে আদালত রিমান্ডে পাঠিয়েছে
- 📌 রিমান্ডে পাঠানো আসামিদের মধ্যে ৬ জনকে ৫ দিনের এবং বাকি ২ জনকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে
- 📌 ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশ করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে এবং দোকানে ভাঙচুর করে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি ও দুই লাখ ২০ হাজার টাকা লুট করে পালিয়ে যায়
- 📌 মামলায় ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে, এর মধ্যে আগে প্রধান আসামি জহুরুল-কে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছিল
- 📌 হত্যাকাণ্ডের সময় এসআই আলতাফের ছেলে আরিফুল ইসলামও আহত হন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন
📰 বিস্তারিত
সাভারের বরদেবী পশ্চিমপাড়ায় গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আবুল কালাম আজাদের অটোগ্যারেজের সামনে একটি অটোরিকশা রাখার বিষয়ে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে গিয়ে এসআই আলতাফ হোসেন হামলাকারীদের রোষানলে পড়েন। প্রাণ বাঁচাতে তিনি ছেলে আরিফুল ইসলামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘গ্র্যান্ড ফ্যাশন’-এ আশ্রয় নেন। পরে রাত ৮টা ১০ মিনিটে একদল হামলাকারী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে হামলা চালায়। হামলাকারীরা রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে এসআই আলতাফকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। তার ছেলে আরিফুল ইসলামকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ সময় হামলাকারীরা দোকানে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি করে এবং ক্যাশবক্স থেকে দুই লাখ ২০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জাকির আল আহসান আসামিদের আদালতে হাজির করে পৃথক দুই আবেদনে প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড চান। রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পরস্পরের যোগসাজশে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে এবং পরে মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার ও জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আসামিদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড আবেদন বাতিলের দাবি জানিয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শিউলী পারভীন বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় মোট ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
"ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পরস্পরের যোগসাজশে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে এবং পরে মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার ও জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আসামিদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাভার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আলতাফ হোসেন (৫৮), মো. জাকির আল আহসান, আরিফুল ইসলাম, শিউলী পারভীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ আসামি (রিমান্ডে), ১৫ আসামি (মোট), ৫ দিন (৬ জনের রিমান্ড), ৩ দিন (২ জনের রিমান্ড), ৫ লাখ টাকা (ক্ষতি), ২ লাখ ২০ হাজার টাকা (লুট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!