📌 মাদারগঞ্জে একটি ছোট শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যা করে তার মরদেহ ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল। অভিযুক্ত জামিনুর ইসলাম (৩২) ও তার স্ত্রী সবুজা (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শিশুটি ছিল জামিনুরের মেয়ের সহপাঠী
মাদারগঞ্জে একটি নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে যেখানে একটি ছোট শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয় এবং তার মরদেহ ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার। শিশুটি ছিল জামিনুর ইসলামের মেয়ের সহপাঠী এবং স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩২ বছর বয়সী জামিনুর ইসলাম (৩২) ও তার স্ত্রী সবুজা (২৫) গ্রেপ্তার**: তাদের অভিযোগে শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যা করা এবং মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।
- 📌 **শিশুটি নিখোঁজ থেকে মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার**: গত শনিবার রাতে জামিনুরের বাসভবনে মাটিচাপা অবস্থায় শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়।
- 📌 **ধর্ষণ-হত্যার বিস্তারিত স্বীকারোক্তি**: জামিনুর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
- 📌 **নিহত শিশুর বাবা মামলা দায়ের**: শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন এবং দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় থেকে সহপাঠীকে খুঁজতে জামিনুরের বাড়িতে যায় সাত বছরের শিশুটি। তবে সহপাঠীর বাবা জামিনুর ইসলাম ছাড়া বাড়িতে আর কেউ ছিল না। এই সুযোগে জামিনুর শিশুটিকে ধর্ষণ করে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে নিজের ঘরের মেঝেতে গর্ত করে মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়। ঘটনাটি জানিয়েছেন মাদারগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। গত শনিবার রাতে জামিনুরের বাসভবনে মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই রাতেই জামিনুর ও তাঁর স্ত্রী সবুজাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শিশুটির মামা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জামিনুরের মেয়ের সহপাঠী ছিল শিশুটি। বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে এবং বিদ্যালয় থেকে জামিনুরের বাড়িতে গিয়ে তার মেয়ের সঙ্গে খেলাধুলা করত শিশুটি। বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় থেকে শিশুটি জামিনুরের বাড়িতে যায়। সেদিন জামিনুরের স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে তাঁর বোনের বাড়িতে রান্না করতে গিয়েছিলেন। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে জামিনুর শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দিয়ে রাখেন।
"মানুষটি কীভাবে এত ছোট ও নিষ্পাপ একটি শিশুর ওপর এমন নিষ্ঠুরতা চালাতে পারলেন! পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। কিন্তু শুধু গ্রেপ্তার করলেই হবে না; তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাদারগঞ্জ, জামালপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জামিনুর ইসলাম (৩২), সবুজা (২৫), সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ বছর (জামিনুরের বয়স), ২৫ বছর (সবুজার বয়স), ৭ বছর (নিহত শিশুর বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!