📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাইবার পুলিশের অভিযানে টাঙ্গাইলে অনলাইন জুয়া-অর্থপাচার চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, ব্যাংক ও ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্মে অর্থপাচারের সন্দেহে মামলা চলছে

সাইবার পুলিশের অভিযানে টাঙ্গাইলে অনলাইন জুয়া-অর্থপাচার চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, ব্যাংক ও ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্মে অর্থপাচারের সন্দেহে মামলা চলছে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) টাঙ্গাইলের ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচারের সন্দেহে। এজেন্ট সিম সরবরাহ করে জুয়া চক্রের অ্যাডমিনদের সহায়তা করার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মামলা চলছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে

সাইবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচার চক্রের আরও চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) এই অভিযান পরিচালনা করে। সোমবার সিআইডির মুখপাত্র মো. ছুফি উল্লাহ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৪ জন গ্রেপ্তার**: টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাবলু মিয়া (২৮), মনির হোসেন (৩০), সখীপুরের নূর সাফায়েত ইপ্তি (২৪) ও শামীম আল মামুন (২৯) অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচারের সন্দেহে গ্রেপ্তার হন।
  • 📌 **অর্থপাচারের পদ্ধতি**: জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো।
  • 📌 **এজেন্ট সিমের ভূমিকা**: গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা অনলাইন বেটিং সাইটের অ্যাডমিনদের জন্য এজেন্ট সিম সংগ্রহ করতেন, যা টাকার জমা-উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত হতো।
  • 📌 **মামলা ও তদন্ত**: ১৭ মে পল্টন থানায় মামলা করা হয়। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।
  • 📌 **অভিযান ইতিহাস**: একই মামলায় আগে টাঙ্গাইল, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, নড়াইল ও রাজশাহীতে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

📰 বিস্তারিত

সিআইডি জানায়, অনলাইন জুয়া চক্রের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলা ও অনলাইন ক্যাসিনোর মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে জুয়া পরিচালিত হতো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এসব জুয়ার বিজ্ঞাপনও প্রচার করা হতো। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন যে, তারা অর্থের বিনিময়ে এজেন্ট সিম সংগ্রহ করে অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইটের অ্যাডমিনদের সরবরাহ করতেন। এজেন্টরা কমিশন নেওয়ার পর অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো।

সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, চক্রটি দেশের বিভিন্ন এলাকায় এজেন্ট নিয়োগ করে তাদের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ব্যাংক হিসাব সংগ্রহ করত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা এই অভিযোগ স্বীকার করেছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে এবং মামলাটির তদন্ত করছে সাইবার পুলিশ সেন্টার। অনলাইন জুয়ার নেটওয়ার্ক, অবৈধ ই-ট্রানজেকশন ও অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

"অর্থের বিনিময়ে এজেন্ট সিম সংগ্রহ করে অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইটের অ্যাডমিনদের সরবরাহ করার কথা স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, সখীপুর, টাঙ্গাইল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাবলু মিয়া (২৮), মনির হোসেন (৩০), নূর সাফায়েত ইপ্তি (২৪), শামীম আল মামুন (২৯), মো. ছুফি উল্লাহ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন গ্রেপ্তার, ১০ জন আগে গ্রেপ্তার, ১৭ মে মামলা করা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖