📌 চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে প্রায় ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে। দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধানে ৪০ কোটি টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে, যেখানে জ্ঞাত আয় মাত্র ২৬ কোটি টাকা
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে প্রায় ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে। আজ সোমবার দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ক্ষমতার অপব্যবহার, আয়কর ফাঁকি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ মামলা অনুমোদিত
- 📌 ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অনুসন্ধানে তাঁর জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৭০ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে
- 📌 নাছির উদ্দীনের স্থাবর সম্পদ ২ কোটি ৩০ লাখ ১৮ হাজার ৯১০ টাকা, অস্থাবর সম্পদ ২৬ কোটি ৩৮ লাখ ১ হাজার ২৮৫ টাকা
- 📌 দায়-দেনা বাদ দিলে নিট সম্পদ ২২ কোটি ৪৯ লাখ ২৩ হাজার ১৮৭ টাকা, পারিবারিক ব্যয় যোগ করলে মোট সম্পদ ৪০ কোটি ৬১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৫ টাকা
- 📌 জ্ঞাত আয় মাত্র ২৬ কোটি ৬২ লাখ ৩৭ হাজার ২৬৫ টাকা, যা সম্পদের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ
- 📌 দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
দুদক সূত্রে জানা গেছে, অনুসন্ধানে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত আ জ ম নাছির উদ্দীনের জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৭০ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানকারীদের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়ে নাছির উদ্দীনের নামে ছিল ২ কোটি ৩০ লাখ ১৮ হাজার ৯১০ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ২৬ কোটি ৩৮ লাখ ১ হাজার ২৮৫ টাকার অস্থাবর সম্পদ। তবে তাঁর দায়-দেনার পরিমাণ ছিল ৬ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮ টাকা। দায় বাদ দেওয়ার পর তাঁর নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ কোটি ৪৯ লাখ ২৩ হাজার ১৮৭ টাকা। পারিবারিক ও অন্যান্য খাতে ১৮ কোটি ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৪৮ টাকা ব্যয় যোগ করে অনুসন্ধানকারীরা তাঁর মোট অর্জিত সম্পদের মূল্য নির্ধারণ করেছেন ৪০ কোটি ৬১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৫ টাকা।
অন্যদিকে, একই সময়ে নাছির উদ্দীনের গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে মাত্র ২৬ কোটি ৬২ লাখ ৩৭ হাজার ২৬৫ টাকা। এই তথ্য থেকে দেখা যায়, তাঁর জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণভাবে অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৭০ টাকা। দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, নাছির উদ্দীন দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অসাধু উপায়ে এসব সম্পদ অর্জন ও ভোগদখল করেছেন।
এ ঘটনায় অনুমোদিত মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায়। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে, কোনো রাজনৈতিক দলের নয়।
"অনুসন্ধানে পাওয়া নথিপত্র অনুযায়ী, আ জ ম নাছিরের নামে ২ কোটি ৩০ লাখ ৯১০ টাকার স্থাবর এবং ২৬ কোটি ৩৮ লাখ ২৮৫ টাকার অস্থাবর সম্পদ ছিল। দায় বাদ দেওয়ার পর নিট সম্পদ ২২ কোটি ৪৯ লাখ ২৩ হাজার ১৮৭ টাকা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আ জ ম নাছির উদ্দীন (সাবেক চসিক মেয়র), মো. আকতারুল ইসলাম (দুদক উপপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ কোটি টাকা (অবৈধ সম্পদ), ২৬ কোটি ৬২ লাখ ৩৭ হাজার ২৬৫ টাকা (জ্ঞাত আয়), ৪০ কোটি ৬১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৫ টাকা (মোট অর্জিত সম্পদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!