📌 ঢাকার উত্তরা ও ভাটারা এলাকায় চীনে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে ১২ নারীকে আটকে রাখা হয়। এদের মধ্যে দুজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য, যার মধ্যে একজন মাত্র ১৫ বছর বয়সী। এসআরবি-১ উদ্ধার করে তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেয়
ঢাকায় চীনে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে ১২ নারীকে আটকে রাখা হয় এবং তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। এসআরবি-১ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উত্তরা ও ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১২ নারীকে উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে দুজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য, যার মধ্যে একজন মাত্র ১৫ বছর বয়সী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীনে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে ঢাকার উত্তরা ও ভাটারা এলাকায় ১২ নারীকে আটকে রাখা হয়, তাদের মধ্যে দুজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য
- 📌 উদ্ধারকৃতদের মধ্যে একজন মাত্র ১৫ বছর বয়সী মেমাচি মারমা, যিনি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য
- 📌 গত ২৬ অক্টোবর উত্তরা পশ্চিম থানায় দুজনকে উদ্ধার করা হয়, পরে ভাটারা থানায় আরও ১০ নারী উদ্ধার করা হয়
- 📌 উদ্ধারকৃত নারীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাদের বৈধ ভ্রমণ কাগজপত্র ছাড়াই চীন পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা হয়েছিল
- 📌 এসআরবি-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, উদ্ধারকৃত নারীদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৬ অক্টোবর উত্তরা পশ্চিম থানার যমযম টাওয়ার-সংলগ্ন এলাকা থেকে দুজন নারীকে উদ্ধার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভাটারা থানার একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়, যেখানে সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত আটটা থেকে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত একটার মধ্যে আরও ১০ নারীকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত নারীদের মধ্যে দুজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য — মেমাচি মারমা (১৫ বছর) ও মাংশানু মগনি। এছাড়া উদ্ধারকৃত নারীদের মধ্যে রয়েছেন রেখা চাকমা, ক্যানচি চাকমা, বিরুপতি চাকমা, পূণ্যরেখা চাকমা, চাইছাইও মারমা, কৃষ্টিনা রোয়ালময় বৈল্টুং, পুষ্পিতা চাকমা, পিংকি চাকমা, ববিতা চাকমা ও আদর্শী চাকমা।
উদ্ধারকৃত নারীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাদের চীনে নিয়ে উচ্চ বেতনে চাকরি ও সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। পরে তাদের বৈধ ভ্রমণ কাগজপত্র ছাড়াই চীন পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা হয়। এ সময় তাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয় এবং অনৈতিক কাজে জড়ানোর প্রলোভন দেওয়া হয়।
এসআরবি জানায়, নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারের আবেদন পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-১ এর সিপিসি-২ গত ২৬ অক্টোবর বিকেল তিনটার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানায় অভিযান চালিয়ে মেমাচি মারমা ও মাংশানু মগনিকে উদ্ধার করে। পরে তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য এবং চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে ভাটারা থানার একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। বাসাটি ২৯৪১ নম্বর, ৫৬ নম্বর সড়কের এল ব্লকের একটি ভবনের সপ্তম তলায় অবস্থিত। এ বিষয়ে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় গত ১৮ অক্টোবর জিডি করা হয়েছিল।
"উদ্ধার হওয়া নারীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তাদের বৈধ ভ্রমণসংক্রান্ত কাগজপত্র ও পাসপোর্ট ছাড়াই বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে তাদের একটি বাসায় জোরপূর্বক আটকে রাখা হয়। এ সময় তাদের বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার উত্তরা ও ভাটারা, চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেমাচি মারমা, মাংশানু মগনি, শাহ আলম (এসআরবি-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ (উদ্ধারকৃত নারী), ১৫ (মেমাচি মারমার বয়স), ২৬ (অক্টোবর, অভিযান শুরু), ২৭ (অক্টোবর, উদ্ধার সম্পন্ন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!