📌 খুলনা বিভাগীয় আদালতে সোনালী ব্যাংকের দৌলতপুর শাখায় আর্থিক অনিয়ম মামলায় সাত আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৫২ টাকার জরিমানা দেওয়া হয়েছে। পলাতক সনজিৎ কুমার দাসসহ সাতজন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।
খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে সোনালী ব্যাংকের দৌলতপুর শাখায় আর্থিক অনিয়ম মামলায় সাত আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৫২ টাকার জরিমানা প্রদান করা হয়েছে। আদালতের রায় অনুযায়ী, জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রত্যেক আসামিকে আরও দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিচারক মো. ওয়াহেদুজ্জামান এই রায় দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা আদালতে সোনালী ব্যাংক অনিয়ম মামলায় সাত আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান
- 📌 প্রত্যেক আসামিকে ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৫২ টাকার জরিমানা; অনাদায়ে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
- 📌 পলাতক আসামি সনজিৎ কুমার দাসসহ সাতজন দোষী সাব্যস্ত, তাদের মধ্যে ব্যাংকের ৬ কর্মকর্তা ও ১ ব্যবসায়ী
- 📌 দোষী আসামিরা: সনজিৎ কুমার দাস (মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্স), মতিয়ার রহমান, নজরুল ইসলাম, মানিক চন্দ্র মণ্ডল, রুহুল আমিন, সিরাজুল ইসলাম ও অজিত কুমার সরকার
- 📌 সনজিৎ কুমার দাসের বাবা মৃত শ্রীপতি কুমার দাস; বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার কৃষ্ণপুরে
📰 বিস্তারিত
খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. ওয়াহেদুজ্জামান আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সোনালী ব্যাংকের দৌলতপুর শাখায় আর্থিক অনিয়ম মামলায় সাত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৫২ টাকার জরিমানা প্রদান করেন। উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়াসিন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় অভিযোগ ছিল, সনজিৎ কুমার দাসের নেতৃত্বে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে যোগসাজশে আর্থিক অনিয়ম করা হয়েছে। সনজিৎ কুমার দাস খুলনা ইন্ডাস্ট্রিজ প্রিমিসেস লিমিটেডের মালিক ছিলেন এবং তিনি পলাতক অবস্থায় রয়েছেন। দোষী আসামিরা হলেন:
- মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সনজিৎ কুমার দাস
- সোনালী ব্যাংক দৌলতপুর করপোরেট শাখার সাবেক গোডাউন কিপার মো. মতিয়ার রহমান
- সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার মো. নজরুল ইসলাম
- সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মানিক চন্দ্র মণ্ডল
- সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. রুহুল আমিন
- সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মো. সিরাজুল ইসলাম
- সাবেক অফিসার অজিত কুমার সরকার
আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রত্যেক আসামিকে আরও দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। সনজিৎ কুমার দাসের বাবা মৃত শ্রীপতি কুমার দাস এবং তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার কৃষ্ণপুরে অবস্থিত।
"আদালতের অভিযোগ গঠনের নথি অনুযায়ী, সনজিৎ কুমার দাসের সঙ্গে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে আর্থিক অনিয়ম করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিচারিক কার্যক্রম শেষে সাত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত, দৌলতপুর শাখা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক মো. ওয়াহেদুজ্জামান, মো. ইয়াসিন আলী, সনজিৎ কুমার দাস, মতিয়ার রহমান, নজরুল ইসলাম, মানিক চন্দ্র মণ্ডল, রুহুল আমিন, সিরাজুল ইসলাম, অজিত কুমার সরকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৫২ টাকা জরিমানা, ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড (অনাদায়ে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!