📌 খিলগাঁওয়ে খাল থেকে উদ্ধারকৃত জজ মিয়ার হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার আসামি মো. আবদুল্লাহ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশের তথ্য মতে, ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে
খিলগাঁওয়ের জিরানী খালে ফেলে দেওয়া হত্যাকাণ্ডে আসামি মো. আবদুল্লাহ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ৯ সেপ্টেম্বর রাতে জজ মিয়া (৪৫) বাড্ডার একটি গ্যারেজে গিয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে আক্রমণ করা হয় এবং তার লাশ খালে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা পাঁচজন আসামির মধ্যে আবদুল্লাহ (৩৩) আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খিলগাঁও থানার ত্রিমোহনী সেতুর নিচে জিরানী খাল থেকে ৯ সেপ্টেম্বর জজ মিয়ার ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়, যিনি ৮ সেপ্টেম্বর রামপুরার বাসা থেকে নিখোঁজ হন
- 📌 আসামি মো. আবদুল্লাহ (৩৩) আদালতে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন, পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. এরশাদ আলী আবেদন করেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিদ্দিক আজাদ রেকর্ড করেন
- 📌 ঘটনায় মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে সিরাজগঞ্জের চৌহালী থানার বাসিন্দা আবদুল্লাহ বাড্ডার বাজার গলি থেকে ১১ সেপ্টেম্বর রাতে গ্রেপ্তার হন
- 📌 নিহত জজ মিয়ার স্ত্রী রোজিনা আক্তার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে স্বামীর লাশ শনাক্ত করেন, যার বুকে, পিঠে ও পেটে একাধিক ছুরির আঘাত ছিল
- 📌 মামলায় বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন জজ মিয়ার স্ত্রী, নিহত ব্যক্তির গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায়
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের তদন্তে আসামি মো. আবদুল্লাহ (৩৩) আদালতে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. এরশাদ আলী আসামিকে শুক্রবার আদালতে হাজির করেন। আসামি স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় এসআই আবেদন করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিদ্দিক আজাদ আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং তারপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
পুলিশের তথ্য মতে, ৯ সেপ্টেম্বর রাতে জজ মিয়া (৪৫) বাড্ডার একটি গ্যারেজে যান। সেখানে পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে আসামি আবদুল্লাহসহ অন্যরা ধারালো চাকু দিয়ে তাঁকে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা নিশ্চিত করেন। পরে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে নিয়ে খিলগাঁওয়ের ত্রিমোহনী সেতুর নিচে জিরানী খালের পানিতে ফেলে পালিয়ে যান।
নিহত জজ মিয়ার স্ত্রী রোজিনা আক্তার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে গিয়ে স্বামীর মরদেহ শনাক্ত করেন। তাঁর বুকের বাঁ পাশে, পিঠে ও পেটে একাধিক ধারালো অস্ত্রের জখম ছিল। ঘটনায় নিহত ব্যক্তির স্ত্রী বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। নিহত জজ মিয়ার গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায়।
"আসামি আবদুল্লাহ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খিলগাঁও, ঢাকা; বাড্ডার বাজার, ঢাকা; চৌহালী, সিরাজগঞ্জ; নারায়ণগঞ্জের বন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবদুল্লাহ (৩৩), জজ মিয়া (৪৫), রোজিনা আক্তার, ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিদ্দিক আজাদ, এসআই মো. এরশাদ আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ সেপ্টেম্বর (হত্যাকাণ্ডের তারিখ), ৮ সেপ্টেম্বর (নিখোঁজ হওয়ার তারিখ), ৩৩ (আসামির বয়স), ৪৫ (জজ মিয়ার বয়স), ৫ (গ্রেপ্তার করা আসামির সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!