📌 কেরানীগঞ্জে বিএনপির ৯ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে জমি দখল ও ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মামলা দায়েরকারী তাজুল ইসলামকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিবার অভিযোগ করে, মামলা প্রতিশোধের জন্য করা হয়েছে
কেরানীগঞ্জ উপজেলায় বিএনপির ৯ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে জমি দখল ও ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মামলা দায়েরকারী তাজুল ইসলাম (৫১) সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার হন। পরিবার দাবি করে, এই গ্রেপ্তার প্রতিশোধের মিথ্যা মামলার অংশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তাজুল ইসলাম (৫১) কেরানীগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার; তিনি বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন
- 📌 তার স্ত্রী রুবিনা ইসলাম দাবি করেন, মামলা প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য করা হয়েছে
- 📌 মামলার ৯ আসামি মধ্যে আওয়াল শিকদারসহ ৮ জন এখনো পলাতক
- 📌 পুলিশের তথ্য: তাজুল ইসলাম আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিলেন, কিন্তু সক্রিয় নেতা ছিলেন না
- 📌 জাহাঙ্গীর (৩৭) গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাজুলের গ্রেপ্তার হয়েছে বলে পরিবার মনে করে
📰 বিস্তারিত
কেরানীগঞ্জ উপজেলার তারানগর এলাকার বাসিন্দা তাজুল ইসলাম জমি দখল ও ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপির ৯ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় কলাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইউপি চেয়ারম্যান আওয়াল শিকদারসহ ৮ জন আসামি অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এখনো ৮ জন আসামি পলাতক রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে পুলিশ শরীফ পার্ক এলাকায় তাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি রুহুল কুদ্দুস জানান, তিনি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওসি তাজুল ইসলামকে ‘দুষ্টু লোক’ আখ্যা দেন।
তাজুল ইসলামের স্ত্রী রুবিনা ইসলাম দাবি করেন, মামলা প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা যাতে তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিই, সে জন্য পুলিশকে ব্যবহার করে অন্যায়ভাবে আমার স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
তাজুলের ছেলে রাফিয়াল বলেন, বাবার কারাবরণের পর পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
২ নভেম্বর জাহাঙ্গীর (৩৭) গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাজুল ইসলামের গ্রেপ্তার হয়েছে বলে পরিবার মনে করে। জাহাঙ্গীর কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
"আমরা যাতে তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিই, সে জন্য পুলিশকে ব্যবহার করে অন্যায়ভাবে আমার স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেরানীগঞ্জ উপজেলা, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: তাজুল ইসলাম (৫১), রুবিনা ইসলাম, রাফিয়াল, রুহুল কুদ্দুস (ওসি), আওয়াল শিকদার, জাহাঙ্গীর (৩৭)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ লাখ টাকা চাঁদা, ৯ আসামি, ৫১ বছর বয়স, ৩৭ বছর বয়স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!