📌 জামালপুরে আদালত প্রাঙ্গণে মামলার বাদী রাসেল হোসেনকে মারধর করা হয়। নারী আসামি জান্নাতুল হুমায়রাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার শুনানির পর ঘটনাটি ঘটে
জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে মামলার বাদী রাসেল হোসেনকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের বাইরে এই ঘটনা সংঘটিত হয়। মারধরের শিকার রাসেল হোসেন মাথায় আঘাত পেয়ে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় জড়িত নারী আসামি জান্নাতুল হুমায়রাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামালপুর জেলা আদালত প্রাঙ্গণে মামলার বাদী রাসেল হোসেনকে মারধর করা হয়
- 📌 মারধরের শিকার রাসেলের মাথায় আঘাত পড়ে, তিনি জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন
- 📌 নারী আসামি জান্নাতুল হুমায়রাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
- 📌 রাসেলের মামলা ছিল ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর মেলান্দহ উপজেলায় শিল্পকারখানায় চাঁদা দাবি নিয়ে
- 📌 আদালত পরিদর্শক খান আবদুল হালিম সিদ্দিকী জানান, জান্নাতুল হুমায়রাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
জামালপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রিশাদ রেজওয়ান বলেছেন, আদালত প্রাঙ্গণে এ ধরনের ঘটনা বিচারপ্রার্থীদের নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থার পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। রাসেল হোসেনের মামলাটি ছিল ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর মেলান্দহ উপজেলার মুন্সীনাংলা এলাকায় শিল্পকারখানায় চাঁদা দাবি নিয়ে। তিনি জানান, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। পরিকল্পিতভাবে জান্নাতুল হুমায়রা ও মাসুদের নেতৃত্বে আসামিরা রাসেলের ওপর হামলা চালায় এবং মামলা প্রত্যাহার না করার হুমকি দেয়।
রাসেলের পরিবার জানায়, গতকাল মামলার শুনানির দিন ছিল। শুনানি শেষে রাসেল আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় জান্নাতুল হুমায়রা ও মাসুদের নেতৃত্বে আসামিরা রাসেলের গেঞ্জির কলার ধরে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। পুলিশ সদস্যরা জান্নাতুল হুমায়রাকে গ্রেপ্তার করেন। রাসেল বলেন, ‘আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ভয়ভীতি দিয়ে আসছিলেন। পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। মামলা প্রত্যাহার না করার হুমকি দিয়েছেন তাঁরা।’
জামালপুর আদালত পরিদর্শক খান আবদুল হালিম সিদ্দিকী জানান, জান্নাতুল হুমায়রাকে গ্রেপ্তার করে গতকালই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত আসামিদের মধ্যে রয়েছে জান্নাতুল হুমায়রা, মাসুদ, সামিউল ইসলাম, আমিনুর ইসলাম ও আক্তার হোসেন।
"আদালত প্রাঙ্গণে এ ধরনের ঘটনা শুধু বিচারপ্রার্থীদের নিরাপত্তাকেই বিঘ্নিত করে না, বরং বিচারব্যবস্থার পরিবেশ ও আদালতের মর্যাদাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণ, জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাসেল হোসেন, জান্নাতুল হুমায়রা, রিশাদ রেজওয়ান, খান আবদুল হালিম সিদ্দিকী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ নভেম্বর ২০২৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!