📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জামালপুরের ইমাম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: শিশু ধর্ষণের দায়ে পাঁচ লাখ জরিমানা

জামালপুরের ইমাম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: শিশু ধর্ষণের দায়ে পাঁচ লাখ জরিমানা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় এক ইমামকে শিশু ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম রায় ঘোষণা করেছেন। আসামি মো. মুছা মিয়া (৩৩) ২০২০ সালে ১৫ বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণ করেছিলেন

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় এক ইমামকে শিশু ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত–১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মো. মুছা মিয়া (৩৩), যিনি গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার হরিচণ্ডি গ্রামের বাসিন্দা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ইমাম মো. মুছা মিয়া (৩৩) শিশু ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন
  • 📌 বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম আদালতের রায়ে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং শিশু পরিবারকে টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন
  • 📌 ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর ও ১ ও ২ ডিসেম্বর মো. মুছা মিয়া ১৫ বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণ করেছিলেন
  • 📌 মামলায় ভুক্তভোগী শিশুসহ ১০ জনের সাক্ষ্য আদালত প্রমাণিত করেছে
  • 📌 আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং রায় ঘোষণার পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে

📰 বিস্তারিত

২০২০ সালের ঘটনার সময় মো. মুছা মিয়া দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামের মসজিদের ইমাম ছিলেন। ঘটনার সময় ভুক্তভোগী শিশুটির বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর। প্রতিদিন সকালে সে মসজিদে আরবি পড়তে যেত। ইমাম প্রায়ই অন্য শিশুদের ছুটি দিয়ে শিশুটিকে মসজিদ পরিষ্কারের কাজে নিয়োজিত করতেন। একপর্যায়ে ইমাম শিশুটিকে বিয়ের প্রলোভন দেখান এবং পরে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি কাউকে জানাতে নিষেধ করেন তিনি।

২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর, ১ ও ২ ডিসেম্বর তিনবার ধর্ষণ ঘটান ইমাম। শিশুটির আচরণ ও মানসিক অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ্য করে পরিবারের সদস্যরা ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন। পরে শিশুর মা বাদী হয়ে ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা করেন। জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত–১-এর সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ফজলুল হক জানান, মামলায় ভুক্তভোগী শিশুসহ ১০ জনের সাক্ষ্য আদালত প্রমাণিত হয়েছে। শুনানিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করে। জরিমানার টাকা শিশুটির পরিবারকে দিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছে।

"মামলায় ভুক্তভোগী শিশুসহ ১০ জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন আদালত। শুনানিতে অভিযোগ প্রমাণিত হয়।" — সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ফজলুল হক

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মুছা মিয়া (৩৩), বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম, সরকারি কৌঁসুলি ফজলুল হক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (ভুক্তভোগী শিশুর বয়স), ৩৩ বছর (মো. মুছা মিয়া), ১০ জন (সাক্ষী), ৫ লাখ টাকা (জরিমানা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖