📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গোবিন্দগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষকের ব্ল্যাকমেল মামলায় গ্রেপ্তার: শিক্ষার্থীর মায়ের অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে টাকা দাবি

গোবিন্দগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষকের ব্ল্যাকমেল মামলায় গ্রেপ্তার: শিক্ষার্থীর মায়ের অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে টাকা দাবি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক মাদ্রাসা শিক্ষক ও তার সহকর্মীদের শিক্ষার্থীর মায়ের অশ্লীল ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং একজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় শিক্ষার্থীর মায়ের অশ্লীল ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তিনজনকে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষক আবু সাইদ (৩৬) ও তার সহকর্মীদের শিক্ষার্থীর মায়ের অশ্লীল ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
  • 📌 ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতেন এবং শিক্ষক ফরিদুলের সাথে তার মায়ের ভিডিও কলের অশ্লীল কথোপকথন থেকে ভিডিও সংগ্রহ করা হয়।
  • 📌 মাদ্রাসার শিক্ষক আবু সাইদ ও মোহন ভুক্তভোগী নারীর মোবাইলে ভিডিও পাঠিয়ে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা দাবি করে দু’বার টাকা নেয়া হয়।
  • 📌 গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মাহফুজ আলম জানান, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং একজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে মাদ্রাসা শিক্ষক আবু সাইদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি গোবিন্দগঞ্জের স্থানীয় মাদ্রাসার শিক্ষক এবং শাখাহার ইউনিয়নের রোয়াগাঁও গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতেন। মেয়েকে আনা-নেওয়ার সময় মাদ্রাসার শিক্ষক ফরিদুলের সাথে নারীর পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে ভিডিও কলের মাধ্যমে অশ্লীল কথোপকথন হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ফরিদুলের মোবাইল ফোন থেকে নারীর কথোপকথনের স্ক্রিনশট ও ভিডিও সংগ্রহ করেন আবু সাইদ। এরপর সেগুলো মাদ্রাসার আরেক শিক্ষক মোহনের মোবাইল ফোনে পাঠানো হয়।

এরপর আবু সাইদ ও মোহন ভুক্তভোগী নারীর মোবাইলে সেসব ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে টাকা দাবি করেন। ভিডিও মুছে ফেলার কথা বলে দুই দফায় নারীর কাছ থেকে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। পরে আবারও ব্ল্যাকমেল করে টাকা দাবি করা হলে তিনি তিনজনের নাম উল্লেখ করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

"পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।"

— গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা, গাইবান্ধা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু সাইদ (৩৬), মোহন, ফরিদুল, মাহফুজ আলম (ওসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬ বছর (আবু সাইদ), ২৫ অক্টোবর, ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖