📌 নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় এক ১৯ বছর বয়সী তরুণীকে বিয়ের কথা বলে ডেকে নিয়ে তিনজন তরুণ দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। ধর্ষণে সহায়তা করার জন্য সহকারী রুবেল মিয়া ভিডিও রেকর্ড করে। অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে এবং মামলা দায়ের করা হয়েছে
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় এক তরুণীকে বিয়ের কথা বলে ডেকে নিয়ে তিনজন তরুণ দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে এবং মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে তরুণীকে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯ বছর বয়সী তরুণীকে বিয়ের কথা বলে ঈশ্বরগঞ্জ থেকে কেন্দুয়ায় নিয়ে আসা হয় এবং দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।
- 📌 অভিযুক্ত তিনজন হলেন বিল্লাল মিয়া (২২), হারুন মিয়া (২৭) এবং রুবেল মিয়া (২৬)।
- 📌 ধর্ষণে সহায়তা করার জন্য রুবেল মিয়া ধর্ষণের ভিডিও রেকর্ড করেন।
- 📌 অভিযুক্তরা ঘটনার পর মামলা করলে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
- 📌 তরুণী ৯৯৯ নম্বর থেকে পুলিশকে খবর দেন এবং পরে কেন্দুয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার রাতে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের ঈদগাও মাঠে এক তরুণীকে (১৯) দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজন হলেন বিল্লাল মিয়া (২২), হারুন মিয়া (২৭) এবং রুবেল মিয়া (২৬)। বিল্লাল মিয়া পেশায় ছোট লরির চালক, হারুন মিয়া লরির মালিক এবং রুবেল মিয়া চালকের সহযোগী।
ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায়। তিনি ও বিল্লাল মিয়ার এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গতকাল সকালে বিল্লাল তরুণীকে ফোন করে বিয়ের কথা বলে ঈশ্বরগঞ্জ বাজারে আসতে বলেন। তরুণী পরিবারের কাউকে জানিয়ে ১২ হাজার টাকা নিয়ে বাজারে যান। পরে বিল্লাল তাকে সিএনজি অটোরিকশায় করে কেন্দুয়ায় নিয়ে আসেন।
কেন্দুয়ায় পৌঁছার পর বিল্লাল তরুণীকে তার বড় ভাইয়ের একটি খালি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে দিনভর থাকার পর রাত সাড়ে নয়টার দিকে বের হন। পরে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঈদগাও মাঠে পৌঁছান। সেখানে বিল্লাল ও হারুন মিয়া মিলে তরুণীকে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের সময় রুবেল মিয়া পাহারা দেন এবং ঘটনাটি মুঠোফোনে ভিডিও রেকর্ড করেন।
ধর্ষণের পর তরুণী জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে ঘটনাটি জানান। পরে কেন্দুয়া থানার ডিউটি কর্মকর্তার নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বিল্লাল তার মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে সিম কার্ড ভেঙে ফেলেন বলে অভিযোগ করেন। অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় বিষয়টি কাউকে জানালে বা মামলা করলে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে তরুণীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করে। আজ রোববার দুপুরে তরুণী বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
"আমি বিয়ের কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু তারা তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করেছিল। তারা আমার ফোন কেড়ে সিম ভেঙে ফেলেছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনা, কেন্দুয়া উপজেলা, চিরাং ইউনিয়ন, কাশিপুর গ্রাম, ঈদগাও মাঠ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: তরুণী (১৯), বিল্লাল মিয়া (২২), হারুন মিয়া (২৭), রুবেল মিয়া (২৬)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন আটক, ১২ হাজার টাকা, ৯৯৯ নম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!