📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিচারকদের কাজের সময়সূচী নিয়ে আইনমন্ত্রী: 'দুই-তিন ঘণ্টা কাজ করে চলে যাওয়া চলবে না'

বিচারকদের কাজের সময়সূচী নিয়ে আইনমন্ত্রী: 'দুই-তিন ঘণ্টা কাজ করে চলে যাওয়া চলবে না'

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, অনেক বিচারক বেলা ১১টায় আসেন এবং দেড়-দুইটায় কাজ শেষ করে চলে যান। তিনি বলেছেন, এ ধরনের কাজের সময়সূচী চলবে না এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও ডিজিটাল ও দক্ষতাপূর্ণ করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে

বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, অনেক বিচারক বেলা ১১টায় আদালতে উপস্থিত হন এবং দেড়-দুইটার মধ্যে কাজ শেষ করে চলে যান। তিনি এই কাজের সময়সূচীকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং বিচার বিভাগকে আরও দক্ষ ও ডিজিটালভাবে পরিচালনার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিচারকরা বেলা ১১টায় আসেন এবং দেড়-দুইটায় কাজ শেষ করে চলে যান — এটা চলবে না।
  • 📌 তিনি বলেছেন, তরুণ বিচারকদেরকে আধুনিক প্রযুক্তি এবং এআই-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে কাজ করতে হবে।
  • 📌 দেশে বর্তমানে ৪৬ লাখেরও বেশি মামলা চলমান রয়েছে, যা বিচারকদের ওপর অমানবিক চাপ সৃষ্টি করছে।
  • 📌 আইনমন্ত্রী বলেছেন, ই-বেইল বন্ড, ডিজিটাল সাক্ষ্য ও ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যা জনগণের সুবিধার জন্য কাজ করছে।
  • 📌 ঢাকায় উদ্বোধিত হওয়া ই পারিবারিক আপিল আদালতের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও দ্রুতগতিতে নিয়ে যাওয়া হবে।

📰 বিস্তারিত

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কনফারেন্স রুমে ই পারিবারিক আপিল আদালত উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেছেন। বেলা সাড়ে ১১টায় এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আইনমন্ত্রী বলেন, কিছু বিচারকদের অভিযোগ রয়েছে যে, তারা দু’-তিন ঘণ্টা কোর্ট করেন এবং বেলা ১১টায় আসেন, দেড়-দুইটার মধ্যে কাজ শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, এ ধরনের কাজের সময়সূচী চলবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের তরুণ বিচারকদেরকে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বিচারকদের ন্যায় বিচারের জায়গাটাকে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় পরিণত করতে হবে।’ আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) এবং ডিজিটাল সেক্টর। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তরুণ বিচারকরা এআই-এর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবে এবং এআই-এর মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও উন্নত করবে।

দেশে বর্তমানে ৪৬ লাখেরও বেশি মামলা চলমান রয়েছে বলে আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘বিশাল সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারকদের ওপর অমানবিক চাপ পড়ে। এই চাপ কমানোর জন্য আমরা কাজ করছি।’ আইনমন্ত্রী বলেন, ই-বেইল বন্ড চালু করা হয়েছে, ডিজিটালি সাক্ষ্য নেওয়া ও ডিজিটালি হাজিরা দেওয়া চালু হয়েছে। এসব ব্যবস্থা জনগণের সুবিধার জন্য কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, আরও আধুনিক পদ্ধতি উদ্ভাবনের কথা চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

"কোনো কোনো জায়গায় এমন অভিযোগ আছে, কেউ কেউ দুই-তিন ঘণ্টা কোর্ট করেন। বেলা ১১টায় আসেন, দেড়টা-দুইটোর মধ্যে কাজ শেষ করে চলে যান। এটা চলবে না।"

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী, ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম, ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবীর, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া এবং ঢাকায় কর্মরত বিচারকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এই প্রথম দেশে ই পারিবারিক আপিল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত বছর শেষ দিকে ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুটি পারিবারিক আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, লিয়াকত আলী মোল্লা, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. শাহজাহান কবীর, আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৬ লাখ (চলমান মামলা), ১১:০০ (বেলা), ১৩:০০-১৪:০০ (কাজের সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖