📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্যাংক খাতের সম্পূর্ণ সরকারমুখী রূপান্তর: অর্থনীতিতে সৃষ্ট বিপদসংকেত

ব্যাংক খাতের সম্পূর্ণ সরকারমুখী রূপান্তর: অর্থনীতিতে সৃষ্ট বিপদসংকেত

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাষ্ট্রের রাজস্ব ঘাটতি ও দুর্বল কর-জিডিপি অনুপাতের কারণে বাংলাদেশের ব্যাংক খাত সম্পূর্ণ সরকারমুখী হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ। তিনি বলেছেন, সরকারের নিয়মিত ঋণ নেয়ার প্রবণতা বেসরকারি খাতকে ঋণবঞ্চিত করছে এবং অর্থনীতিতে 'ক্রাউডিং আউট' সংকট সৃষ্টি করেছে

বাংলাদেশের ব্যাংক খাত সম্পূর্ণ সরকারমুখী হয়ে পড়েছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেয়ার কারণে বেসরকারি খাত ঋণবঞ্চিত হচ্ছে এবং অর্থনীতিতে 'ক্রাউডিং আউট' সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এই মন্তব্য তিনি ২৯ অক্টোবর ঢাকার মিরপুরে অনুষ্ঠিত ১১তম বার্ষিক ব্যাংকিং সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের উদ্বোধনী অধিবেশনে দিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **রাজস্ব ঘাটতি ও কর-জিডিপি অনুপাতের কারণে** বাংলাদেশের ব্যাংক খাত সম্পূর্ণ সরকারমুখী হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ড. মাহবুব উল্লাহ
  • 📌 **গভর্নমেন্টের নিয়মিত ঋণ নেয়ার প্রবণতা** বেসরকারি খাতকে ঋণবঞ্চিত করছে এবং অর্থনীতিতে 'ক্রাউডিং আউট' সংকট সৃষ্টি করেছে
  • 📌 **ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ ও দুর্নীতি** একটি 'অশুভ জোট' বা 'নেক্সাস'-এ পরিণত হয়েছে, যেখানে ব্যাংকার, অসৎ ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদরা জড়িত
  • 📌 **বাংলাদেশকে 'শোষণমূলক রাষ্ট্র' বলে অভিহিত** করে ড. মাহবুব উল্লাহ, ক্ষমতাসীনরা রাষ্ট্রকে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করছে
  • 📌 **দেশের বর্তমান সংকটের সমাধান** সহজ নয়, বলেছেন তিনি, কারণ এটি অর্থনৈতিক সংস্কারের পাশাপাশি রাজনৈতিক ব্যবস্থার মৌলিক সংশোধনের প্রয়োজন

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ১১তম বার্ষিক ব্যাংকিং সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের উদ্বোধনী অধিবেশনে ড. মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, সরকারের নিয়মিত ঋণ নেয়ার প্রবণতা এবং ভবিষ্যতে সে ঋণের সুদ ও কিস্তি পরিশোধের অনিশ্চয়তা অর্থনীতিতে বড় লাল সংকেত দিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ব্যাংক খাতের ওপর জনগণের আস্থা প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।

অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ ব্যাংক খাতের বর্তমান বেহাল দশা ও খেলাপি ঋণের প্রকোপকে সামগ্রিক অর্থনৈতিক সংকটের 'উপসর্গ' বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের ব্যাংক খাত, প্রশাসন, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা সবই একই সঙ্গে সর্বগ্রাসী সংকটে আক্রান্ত। তিনি উল্লেখ করেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রীয় চরিত্র ও রাজনীতি আজ গুটিকয়েক প্রভাবশালী ধনী বা 'অলিগার্কদের' স্বার্থে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ড. মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ও প্রাতিষ্ঠানিক সদিচ্ছা ছাড়া কেবল সুশাসনের বুলি আওড়ে কোনো সুফল মিলবে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, শুরুর দিকে ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ সমস্যা 'গ্রাহক চেনাসংক্রান্ত' বা 'কেওয়াইসি' সমস্যা মনে হলেও পরবর্তীতে এটি ব্যাংকার, অসৎ ব্যবসায়ী এবং খারাপ রাজনীতিবিদদের এক বিপজ্জনক 'অশুভ জোট' বা 'নেক্সাস'-এ পরিণত হয়েছে।

"ক্ষমতাসীনরা রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছেন। এ রাষ্ট্রকে জনগণের কল্যাণের হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা না করে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি বা সাম্রাজ্য বানিয়ে ফেলেছে, যেখানে আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের অন্যায় সুযোগ-সুবিধা বিলিয়ে দেয়া হয়।"

অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, দেশে বারবার গণঅভ্যুত্থান ঘটলেও কোনো অর্থপূর্ণ সামাজিক বা সাংস্কৃতিক পরিবর্তন আসেনি, ফলে জনগণের মাঝে হতাশা ও অধৈর্যের পুঞ্জীভূত রূপ দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেছেন, কেবল অভ্যুত্থানই কোনো চূড়ান্ত সমাধান নয়; বরং সঠিক আদর্শিক কাঠামো, জাতীয় পুনর্জাগরণের স্পষ্ট কর্মসূচি এবং নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্বের মাধ্যমে কেবল ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মিরপুরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১তম বার্ষিক ব্যাংকিং সম্মেলন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖