📌 লিবিয়ার বেনগাজির গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৬৮ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মানবপাচারের শিকারদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার আহ্বান জানানো হয়েছে
লিবিয়ার বেনগাজির গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৬৮ বাংলাদেশিকে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৪ মিনিটে বুরাক এয়ারের (ইউজেড-২২২) একটি ফ্লাইটে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এই উদ্যোগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) সহযোগিতা করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লিবিয়ার গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৬৮ বাংলাদেশিকে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসিত করা হয়েছে
- 📌 প্রত্যাবাসিতদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা পেয়ে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিল
- 📌 লিবিয়ায় অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিরা
- 📌 ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানিয়েছেন
- 📌 প্রত্যাবাসিতদের জন্য পথখরচ, খাদ্য ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে
- 📌 মানবপাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার আহ্বান জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
লিবিয়ার বেনগাজির গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৬৮ বাংলাদেশিকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) একত্রিতভাবে কাজ করেছে। লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই ১৬৮ বাংলাদেশি নাগরিকের অধিকাংশই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। লিবিয়ায় তাদের অনেকেই অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বাংলাদেশে ফিরে আসা এই বাংলাদেশিদের ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইওএমের কর্মকর্তারা অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। মানব পাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে তাদের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে বিনিময় করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রত্যাবাসিত প্রত্যেক বাংলাদেশির জন্য আইওএমের পক্ষ থেকে পথখরচ, খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
"মানব পাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রত্যাবাসিতদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লিবিয়ার বেনগাজি, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্মকর্তারা, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (পর্যটনমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৮ জন বাংলাদেশি প্রত্যাবাসিত, ১০টা ৪ মিনিটে ফ্লাইট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!