📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৭ আসামির খোঁজে সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা: পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৭ আসামির খোঁজে সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা: পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৭ আসামির মধ্যে ওবায়দুল কাদেরসহ পলাতকদের খোঁজে সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা চলছে। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, তাদের অবস্থান শনাক্ত হলে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড ও আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রদান করা হয়

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৭ আসামির মধ্যে ওবায়দুল কাদেরসহ পলাতকদের খোঁজে বাংলাদেশ সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা চলছে। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) একটি সংবাদ সম্মেলনে জানান, তাদের অবস্থান শনাক্ত হলে আইনানুসারে গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৭ আসামির মধ্যে ৫ জনের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড — ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
  • 📌 পলাতকদের খোঁজে সরকারের প্রচেষ্টা — চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, তাদের অবস্থান শনাক্ত হলে গ্রেফতার করে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
  • 📌 ৫০ শতাংশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত — পাঁচ আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই সম্পদ থেকে পাওয়া অর্থ জুলাই আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের পরিবারের মধ্যে বণ্টনের কথা রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
  • 📌 আমৃত্যু কারাদণ্ড — অভিযোগ ভেদে কয়েকজন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি — আসামিদের বিরুদ্ধে সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি এবং ব্যক্তিগত দায়ের বিষয়টি সাক্ষ্যপ্রমাণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।
  • 📌 পলাতক আসামিদের আইনি অবস্থান — মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে চলা বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে তারা অবগত ছিলেন, কিন্তু বিচারপ্রক্রিয়ায় অংশ নেননি। ফলে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক রয়েছেন বলে ধরে নেওয়া হয়েছে।
  • 📌 ৩০ দিনের আপিলের সুযোগ — সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের বিষয়ে রায় প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগ রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার সুযোগ সীমিত থাকতে পারে।

📰 বিস্তারিত

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৭ আসামির মধ্যে ওবায়দুল কাদেরসহ পলাতকদের খোঁজে সরকারের প্রচেষ্টা চলছে। তিনি জানান, তাদের অবস্থান শনাক্ত হলে আইনানুসারে গ্রেফতার করে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, এই মামলায় প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগ আনা হয়েছিল। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অধিকাংশ অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল দণ্ড দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ১৪ দলীয় বৈঠকে কারফিউ ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত এবং ওবায়দুল কাদেরের ‘শুট অ্যাট সাইট’ নির্দেশের পর নির্বিচারে গুলি করে মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটে।’

মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ পলাতক আসামিদের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ফেসবুক পেজে মন্তব্য করার বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালে তাদের বিরুদ্ধে চলা বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে তারা অবগত ছিলেন। কিন্তু বিচারপ্রক্রিয়ায় তারা অংশ নেননি। ফলে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক রয়েছেন বলে ধরে নেওয়া যায়। কোনো আসামি ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক থাকলে আইন অনুযায়ী তার অনুপস্থিতিতেই বিচারকার্য পরিচালনার বিধান রয়েছে। ফলে পলাতক আসামিদের বিভিন্ন বক্তব্যের আইনগত গ্রহণযোগ্যতা নেই।’

"তাদের অবস্থান সম্পর্কে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। তবে তারা যেহেতু এখন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তাই অবস্থান শনাক্ত করা গেলে গ্রেফতার করে বাংলাদেশে আনার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আমিনুল ইসলাম (চিফ প্রসিকিউটর), ওবায়দুল কাদের, মোহাম্মদ আলী আরাফাত
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ (মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি), ৫০ (শতাংশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত), ১৯ (জুলাই), ১৪ (দলীয় বৈঠক), ৩০ (দিনের আপিলের সুযোগ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖