📌 বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয় আলোচিত হয়। এছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়নের এইচআরসিএম মর্যাদা প্রত্যাহারের দাবি উত্থাপিত হয়
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, যেকোনো উড়োজাহাজ ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির আশ্বাস দিয়েছেন এয়ারবাস ক্রয়ের ক্ষেত্রে
- 📌 যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগে যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করবে
- 📌 ১৬৮ জন বাংলাদেশিকে লিবিয়ার বেনগাজি থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে
- 📌 হজরত শাহজালাল ও সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সন্তোষজনক নিরীক্ষা পেয়েছে
- 📌 ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বাংলাদেশের এইচআরসিএম মর্যাদা প্রত্যাহারের দাবি উত্থাপিত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত আলোচনা করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারকরণ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের আধুনিকায়ন এবং তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং বিষয় আলোচিত হয়। বিমান বাংলাদেশের বহরে বর্তমানে উড়োজাহাজের স্বল্পতা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। জরুরি ভিত্তিতে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের ওপর উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য ও ডাক (এইচআরসিএম) মর্যাদা আরোপ করে। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে কার্গো পরিবহনে সময় ও খরচ বেড়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এই মর্যাদা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিয়েছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে প্রয়োজন অনুযায়ী বিস্ফোরক শনাক্তকরণ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, বাংলাদেশের আতিথেয়তা খাতের বিকাশে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে। বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগেও যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। বৈঠকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মেনজিস এভিয়েশন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বলে জানানো হয়।
স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে আগ্রহী ১৬৮ জন বাংলাদেশিকে লিবিয়ার বেনগাজির গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৪ মিনিটে বুরাক এয়ারের (ইউজেড-২২২) একটি ফ্লাইটে বাংলাদেশে আনা হয়।
"বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে বর্তমানে উড়োজাহাজের স্বল্পতা রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সচিবালয় (ঢাকা), হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, লিবিয়ার বেনগাজি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, সারাহ কুক, ব্রিটিশ হাইকমিশনার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৮ জন বাংলাদেশি, ১০টা ৪ মিনিট, ইউজেড-২২২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!