📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ নেতার সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করে দিয়েছে। বাজেয়াপ্ত অর্থ শহীদ ও আহতদের পরিবারের ক্ষতিপূরণে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
ঢাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ নেতার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ বাজেয়াপ্তের আদেশ দিয়েছে। এই বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি বিক্রি করে পাওয়া অর্থ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের ক্ষতিপূরণে ব্যয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রায় ঘোষণা শেষে এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ জারি করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ নেতার সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করে দিয়েছে
- 📌 বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি বিক্রি করে পাওয়া অর্থ জুলাই ফাউন্ডেশন বা অন্য বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ হিসেবে শহীদ ও আহতদের পরিবারে দেওয়া হবে
- 📌 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ নেতার মধ্যে রয়েছে: ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খান নিখিল
- 📌 রায় পড়ার সময় ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী ৫৫৭ পৃষ্ঠার সংক্ষিপ্ত রায়ের বিভিন্ন অংশ পাঠ করেন
- 📌 মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয় ২ আগস্ট, যুক্তিতর্ক শেষ হয় ১৭ আগস্ট
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী রায় পড়ার শুরু করেন। বিচারিক প্যানেলের সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। এই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ নেতার মধ্যে সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ দেওয়া হয়নি। তবে ওবায়দুল কাদেরসহ বাকি পাঁচ আসামির সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের ক্ষতিপূরণের জন্য বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি বিক্রি করে পাওয়া অর্থ জুলাই ফাউন্ডেশন অথবা অন্য কোনো বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। এই মামলায় সাতজন আসামির মধ্যে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলাটির যুক্তিতর্ক শেষ হয় ১৭ আগস্ট। এর আগে ২ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর দাখিল করা হয়।
"জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পথও নির্ধারণ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, ওবায়দুল কাদের, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ (বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি), ৫৫৭ পৃষ্ঠা (সংক্ষিপ্ত রায়), ২৯ জন (সাক্ষী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!