📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইকোর্টে মাজার খাদেম হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ড বহাল, পাঁচ জেএমবি সদস্য বেকসুর খালাস

হাইকোর্টে মাজার খাদেম হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ড বহাল, পাঁচ জেএমবি সদস্য বেকসুর খালাস

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় মাজার খাদেম রহমত আলীর হত্যা মামলায় হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে দুজনের জন্য। একই সঙ্গে পাঁচ জেএমবি সদস্যকে খালাস দিয়েছে আদালত। মামলায় ২০১৫ সালে হত্যা হয়েছিল খাদেম রহমত আলীকে

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় মাজার খাদেম রহমত আলীর (৬০) হত্যা মামলায় হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে জেএমবির দুজন সদস্যের জন্য। একই সঙ্গে পাঁচ জেএমবি সদস্যকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মৃত্যুদণ্ড বহাল: জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী ও লিটন মিয়া ওরফে রফিকের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে
  • 📌 খালাস পেয়েছেন: জেএমবি সদস্য ইছাহাক আলী, সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল, সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান, উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি ও চান্দু মিয়া
  • 📌 মামলার বিবরণ: ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে বাড়ি ফেরার পথে রহমত আলীকে হত্যা করা হয়
  • 📌 বিচারপতি: বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রায় দেন
  • 📌 আসামিদের প্রতিনিধি: অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন

📰 বিস্তারিত

২০১৮ সালে রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ছয়জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। তবে হাইকোর্টের বেঞ্চ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা দুজন আসামির নাম হলেন জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী এবং লিটন মিয়া ওরফে রফিক। অন্যদিকে, পাঁচ জন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড় এলাকায় বাড়ি ফেরার পথে রহমত আলীকে (৬০) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরদিন ১১ নভেম্বর রহমত আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান। রায়ের পর বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা আসামিদের বিরুদ্ধে রায় দেন।

"আমরা মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা আসামিদের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছি। অন্যদিকে, পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা, মধুপুর ইউনিয়ন, চৈতার মোড় এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি জাফর আহমেদ, বিচারপতি সাথিকা হোসেন, অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, রহমত আলী, মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী, লিটন মিয়া ওরফে রফিক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৫ (হত্যার বছর), ১০ নভেম্বর (হত্যার তারিখ), ৬০ (রহমত আলীর বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖