📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গ্রামীণ ব্যাংক সাবেক কর্মকর্তা পাঁচ বছরের কারাদণ্ড: পাবনা আদালত ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছে আত্মসাৎ টাকা

গ্রামীণ ব্যাংক সাবেক কর্মকর্তা পাঁচ বছরের কারাদণ্ড: পাবনা আদালত ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছে আত্মসাৎ টাকা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাবনা বিশেষ জজ আদালত গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে অর্থ আত্মসাত মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। আদালত আত্মসাৎ করা ৯ লাখ ২৪ হাজার ৮ টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছে। অন্য দুই কর্মকর্তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে

পাবনা বিশেষ জজ আদালত গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে অর্থ আত্মসাত মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। আদালতের বিচারক আবু সালেহ মো. সালাহউদ্দিন খাঁ আত্মসাৎ করা ৯ লাখ ২৪ হাজার ৮ টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অন্য দুই কর্মকর্তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাবনা বিশেষ জজ আদালত গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে অর্থ আত্মসাত মামলায়।
  • 📌 আদালত আত্মসাৎ করা ৯ লাখ ২৪ হাজার ৮ টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
  • 📌 অন্য দুই কর্মকর্তা সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেনকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী অ্যাডভোকেট মলয় কুমার দাস রায়ের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
  • 📌 সাজাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে কারাগারে পাঠানো হয়।

📰 বিস্তারিত

বুধবার দুপুরে পাবনার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু সালেহ মো. সালাহউদ্দিন খাঁ রায় ঘোষণা করেন। মামলায় অভিযোগ ছিল, গ্রামীণ ব্যাংক ভদ্রঘাট শাখা, কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জের সিনিয়র কেন্দ্র ব্যবস্থাপক সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং শাখা ব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন ২০০৯ সালের আগস্ট থেকে ২০১৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতি ও ভুয়া ঋণ বিতরণের তথ্য দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছিলেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী অ্যাডভোকেট মলয় কুমার দাসের তথ্য অনুযায়ী, গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করা টাকা কালেকশন শিটে অন্তর্ভুক্ত না করে ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছিল। মামলাটি ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ থানায় দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক সাইদুর রহমানের দায়ের করা হয়েছিল।

তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩১ আগস্ট অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত বুধবার উল্লেখিত রায় ঘোষণা করে। মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলাম চৌধুরী আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিশেষ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মলয় কুমার দাস।

"আত্মসাৎ করা অর্থ ফেরত দিতে হবে এবং সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পাবনা বিশেষ জজ আদালত, ভদ্রঘাট শাখা, কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, আবু সালেহ মো. সালাহউদ্দিন খাঁ, মলয় কুমার দাস, সাইদুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর কারাদণ্ড, ৯ লাখ ২৪ হাজার ৮ টাকা, ২০০৯-২০১৪ (মামলার সময়কাল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖