📌 নেত্রকোনা জেলা আদালতে ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী (সাগর) জমি-সম্পদ বিনিময়ে মুক্তি চান। ডিএনএ পরীক্ষায় অভিযুক্তের ৯৯.৯৯% মিল পাওয়া গেলেও আদালত ১১ নভেম্বর রায় দিবে। অভিযুক্তের ভাইও অভিযুক্ত।
নেত্রকোনা জেলা ও শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী (সাগর) জমি-সম্পদ বিনিময়ে মামলা থেকে মুক্তি পেতে চান। যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর আদালত ১১ নভেম্বর রায় ঘোষণা করবে। মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক সাগর জানান, তাঁর ১২-১৫ শতাংশ জমি রয়েছে এবং মামলা থেকে মুক্তি পেতে সব সম্পদ বিনিময়ে রাজি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেত্রকোনা জেলা আদালতে ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী (সাগর) জমি-সম্পদ বিনিময়ে মুক্তি চান
- 📌 ১১ নভেম্বর রায় ঘোষণা হবে — যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে
- 📌 ডিএনএ পরীক্ষায় অভিযুক্তের ৯৯.৯৯% মিল পাওয়া গেছে, কিন্তু আদালত এখনো রায় দিতে বিলম্ব করছে
- 📌 মামলায় অভিযুক্তের ভাই মাইমুন ওরফে মামুন মিয়া (৩২)ও জড়িত
- 📌 ১১ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করে গর্ভবতী করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২৮ অক্টোবর) নেত্রকোনা জেলা ও দায়রা জজ এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুছ সালামের আদালতে মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়। যুক্তিতর্ক চলাকালে অভিযুক্ত শিক্ষক সাগর বিচারকের অনুমতি নিয়ে কথা বলতে চান। তিনি জানান, তাঁর ১২-১৫ শতাংশ জমি রয়েছে এবং মামলা থেকে মুক্তি পেতে সব সম্পদ বিনিময়ে রাজি। স্ত্রী ও সন্তানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন কারাগারে থাকলে তাঁদের ভরণপোষণ করা কঠিন হবে।
রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল এবং আসামিপক্ষের অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান যুক্তিতর্কে অংশ নেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী আপসের বিষয়ে কথা বলতে চাইলে বিচারক তা নাকচ করে দেন। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে ডিএনএ পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়, যেখানে ভুক্তভোগী শিশুর জন্মদাতা নবজাতকের সঙ্গে অভিযুক্ত সাগরের ডিএনএর ৯৯.৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া যায়। এছাড়া পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মদন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আক্তারুজ্জামান ২৮ আগস্ট অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর এবং তাঁর ভাই মাইমুন ওরফে মামুন মিয়া (৩২)কে অভিযুক্ত করা হয়। মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে মদন থানায় শিক্ষক সাগরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। এতে অভিযোগ করা হয়, সাগর শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা করে এবং পরবর্তীতে সন্তান জন্ম দিয়েছে।
"আমি ১২-১৫ শতাংশ জমি রাখতে পারি, কিন্তু মামলা থেকে মুক্তি পেতে সব সম্পদ বিনিময়ে রাজি। দীর্ঘদিন কারাগারে থাকলে স্ত্রী ও সন্তানের ভরণপোষণ করা কঠিন হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আমান উল্লাহ মাহমুদী (সাগর), মাইমুন ওরফে মামুন মিয়া (৩২), বিচারক মো. আব্দুছ সালাম, পাবলিক প্রসিকিউটর নুরুল কবির রুবেল, আইনজীবী আনিসুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৯.৯৯% (ডিএনএ মিল), ১২-১৫% (জমি), ৩২ (ভাইয়ের বয়স), ১১ (নভেম্বর রায়), ১১ (বছর বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!