📌 গাজীপুরের আন্দোলনের কারণে আসামিদের ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করা সম্ভব না হলে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আজ কার্যক্রম বন্ধ পড়ে। বরিশালে ২০১৫ সালে ক্রসফায়ারে নিহত দুজন নেতার মামলায় আসামি চারজন, তাদের মধ্যে দুজন কারাগারে বন্দি
গাজীপুরের বর্তমান রাজনৈতিক আন্দোলনের কারণে নিরাপত্তাজনিত কারণে আসামিদের ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করা সম্ভব না হলে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আজ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ পড়ে। বরিশালে ২০১৫ সালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুজন নেতাকে ক্রসফায়ারে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আসামি চারজন, তাদের মধ্যে দুজন কারাগারে বন্দি অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হতে পারেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের আন্দোলন বাধা হয়ে দাঁড়ায় ট্রাইব্যুনাল কার্যক্রমে — আসামি উপস্থিত না হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করা সম্ভব হয়নি
- 📌 ২০১৫ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আসামি চারজন, তাদের মধ্যে দুজন কারাগারে বন্দি — বরিশালের উজিরপুর থানার সাবেক এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন
- 📌 পলাতক আসামি দুজন — কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ
- 📌 ট্রাইব্যুনাল-২ পরবর্তী শুনানি নির্ধারণ করে ১১ নভেম্বর — আসামি উপস্থিত না হলে তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করার সুযোগ হারিয়ে যায়
📰 বিস্তারিত
বরিশালে ২০১৫ সালের ২০শে জানুয়ারি ছাত্রদল ও জাসাসের দুজন নেতাকে ক্রসফায়ারে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আজ মঙ্গলবার সাক্ষ্য গ্রহণের কথা ছিল। কিন্তু গাজীপুরের বর্তমান রাজনৈতিক আন্দোলনের কারণে নিরাপত্তাজনিত কারণে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আসামিদের ট্রাইব্যুনালে পাঠানো সম্ভব হয়নি। ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ প্রথম আলোকে জানান, আজকে আসামিদের জেরা করার জন্য তদন্ত কর্মকর্তাকে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু আসামি না আসায় জেরা করার সুযোগ হারিয়ে যায়।
মামলায় আসামি চারজন। তাদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক। অন্যদুজন আসামি বরিশালের উজিরপুর থানার সাবেক এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন। তাঁরা দুজন কারাগারে বন্দি অবস্থায় থাকলেও গাজীপুরের আন্দোলনের কারণে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হতে পারেননি।
ট্রাইব্যুনাল-২ আজ বসেনি। পরবর্তী শুনানি নির্ধারণ করে ১১ নভেম্বর। আসামি না আসলে তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করার সুযোগ হারিয়ে যায়।
"আজকে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করার জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু গাজীপুরে চলা আন্দোলনে তৈরি হওয়া নিরাপত্তাজনিত কারণে কারা কর্তৃপক্ষ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে পাঠাতে পারেনি। আসামি যদি না আসে জেরা করার সুযোগ থাকে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর (আন্দোলন), বরিশাল (ঘটনা), কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারুক আহাম্মদ (প্রসিকিউটর), আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, এ কে এম এহসানউল্লাহ, মো. মাহাবুল ইসলাম, মো. জসিম উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন আসামি, ২ জন কারাগারে বন্দি, ১১ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!