📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাস্ক পরা অজ্ঞাত ব্যক্তির পাশে বসার পর অচেতন হয়ে পড়েন রিদয়ন, নয় দিন পর মির্জাপুরে ফেলে রাখা হয় বন্দী

মাস্ক পরা অজ্ঞাত ব্যক্তির পাশে বসার পর অচেতন হয়ে পড়েন রিদয়ন, নয় দিন পর মির্জাপুরে ফেলে রাখা হয় বন্দী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানিকগঞ্জের রিদয়ন আনসারী (২৫) বাসে মাস্ক পরা অজ্ঞাত ব্যক্তির পাশে বসার পর অচেতন হয়ে পড়েন। নয় দিন পর টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তাকে ফেলে রাখা হয়। অপহরণকারীরা মুক্তিপণ দাবি করলেও ৪০ হাজার টাকা দিলেও ছাড়েননি রিদয়নকে

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ২৫ বছর বয়সী রিদয়ন আনসারী (২৫) বাসে মাস্ক পরা এক অজ্ঞাত ব্যক্তির পাশে বসার পর অচেতন হয়ে পড়েন। গত ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার সফিপুর থেকে ঢাকার মগবাজার যাত্রায় বাসে উঠেছিলেন তিনি। উত্তরার আজমপুরে বাসে বসার পরপরই অপহরণকারীরা তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। পরদিন মুক্তিপণ দাবি করা হয়, কিন্তু ৪০ হাজার টাকা দিলেও রিদয়নকে ছাড়েনি চক্রটি। আজ মঙ্গলবার ভোরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তাকে একটি প্রাইভেট কার থেকে সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৫ বছর বয়সী রিদয়ন আনসারী (মানিকগঞ্জের মৃত আবদুল মান্নান আনসারীর ছেলে) বাসে মাস্ক পরা অজ্ঞাত ব্যক্তির পাশে বসার পর অচেতন হয়ে পড়েন গত ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায়।
  • 📌 অপহরণকারীরা তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান এবং পরদিন ২৫ অক্টোবর মোবাইল কল করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করলেও, পরিবার ৪০ হাজার টাকা পাঠালে তারা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
  • 📌 টানা নয় দিন বন্দী থাকার পর আজ মঙ্গলবার ভোরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তাকে একটি প্রাইভেট কার থেকে সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়।
  • 📌 রিদয়নকে সারা দিনে একবারও খাবার দেওয়া হয়নি, হাত ও চোখ বাঁধা থাকত এবং তার মোবাইল, ইমেইল, মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব পাসওয়ার্ড নিয়ে নেয়া হয়।
  • 📌 সাভারের নবীনগরে জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে থেকে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে কালিয়াকৈর থানায় মামলা করা হয় এবং এসআরবি–৩–এর কোম্পানি কমান্ডারের কাছে লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়।

📰 বিস্তারিত

রিদয়ন আনসারী (২৫) ঢাকার নিউ ইস্কাটনে বসবাস করেন। তিনি সেখানে একটি কলেজে বিবিএ পড়ছিলেন এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ী ভিত্তিতে চাকরি করতেন। গত ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় তিনি গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার সফিপুরে বড় বোনের বাসা থেকে ঢাকার মগবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন। ঢাকায় নেমে আবদুল্লাহপুর থেকে ‘প্রভাতী বনশ্রী’ নামের বাসে উঠেন তিনি। বাসটি উত্তরার আজমপুরে পৌঁছালে মাস্ক পরা এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তার পাশে বসেন। এরপরপরই রিদয়ন অচেতন হয়ে পড়েন।

পরদিন ২৫ অক্টোবর রিদয়নের বড় ভাই শাহরিয়ার আনসারীকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের কল করে ভাইকে জীবিত ফেরত দিতে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। দিশাহারা পরিবার অপহরণকারীদের দেওয়া মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে ৪০ হাজার টাকা পাঠান। কিন্তু টাকা পেয়েও রিদয়নকে ছাড়েনি চক্রটি। তারা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আজ মঙ্গলবার ভোরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি প্রাইভেট কার থেকে সড়কের পাশে চোখ বাঁধা অবস্থায় রিদয়নকে ফেলে দিয়ে যায় অপহরণকারীরা। সেখান থেকে এক ট্রাকচালকের সহায়তায় তিনি সাভারের নবীনগর এলাকায় পৌঁছান। পরে নবীনগরে জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে থেকে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করেন।

রিদয়নকে সারা দিনে একবারও খাবার দেওয়া হতো না। সারাক্ষণ তাঁর হাত ও চোখ বাঁধা থাকত। অপহরণকারীরা তার মুঠোফোন, ইমেইল, মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব পাসওয়ার্ড নিয়ে নিয়েছে। টানা নয় দিন বন্দী থাকায় রিদয়ন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরিবার জানায়, তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হবে।

"রিদয়নকে সারা দিনে একবারই খাবার দেওয়া হতো। সারাক্ষণ তাঁর হাত ও চোখ বাঁধা থাকত। তাঁর মুঠোফোন, ই–মেইল, মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব পাসওয়ার্ড নিয়ে নিয়েছে চক্রটি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, সাভারের নবীনগর, ঢাকার মগবাজার, গাজীপুরের কালিয়াকৈর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিদয়ন আনসারী (২৫), শাহরিয়ার আনসারী, ফয়সল মাহমুদ কালিয়াকৈর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর, ২৪ অক্টোবর, ২৫ অক্টোবর, ৫০ হাজার টাকা, ৪০ হাজার টাকা, ৯ দিন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖