📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৭ নভেম্বর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ৬ ঘণ্টা বিনামূল্যে যাতায়াতের সুযোগ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
৭ নভেম্বর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ৬ ঘণ্টা বিনামূল্যে যাতায়াতের সুযোগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারীদের ৬ ঘণ্টা বিনামূল্যে যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হবে। ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত টোল ছাড়াই চলাচল করা যাবে

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারীদের ৬ ঘণ্টা বিনামূল্যে যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হবে। এই বিশেষ দিনে ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কোনো টোল পরিশোধ ছাড়াই এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করা যাবে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭ নভেম্বর (শনিবার) ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ৬ ঘণ্টা বিনামূল্যে যাতায়াতের সুযোগ
  • 📌 ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত টোল ছাড়াই চলাচল করা যাবে
  • 📌 ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এক্সপ্রেসওয়ে চালু, বর্তমানে কাওলা থেকে এফডিসি পর্যন্ত অংশে চলাচল
  • 📌 টোল হার: কার/ট্যাক্সি/স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল/মাইক্রোবাস (১৬ আসনের কম) = ৮০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৬ চাকা) = ৩২০ টাকা, ৬ চাকার বেশি ট্রাক = ৪০০ টাকা, বাস (১৬ আসন+) = ১৬০ টাকা
  • 📌 রিকশা, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ

📰 বিস্তারিত

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারীদের ৬ ঘণ্টা বিনামূল্যে যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হবে। এই সুবিধা সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই দিনে সব যানবাহনের জন্য নির্ধারিত ছয় ঘণ্টা টোল–ফ্রি সুবিধা কার্যকর থাকবে।

২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশে ফেরার উপলক্ষে চার ঘণ্টা টোল–ফ্রি রাখা হয়েছিল। সেই দিনে প্রায় দেড় যুগ পর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তিনি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় টোল প্লাজা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কিছুদিন টোল ছাড়াই চলাচল করা হয়েছিল।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পটি সরকারি-বেসরকারি যৌথ বিনিয়োগে (পিপিপি) বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই প্রকল্পের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কিলোমিটার। এটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে কাওলা থেকে রেললাইন ধরে তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর হয়ে যাত্রাবাড়ীর কাছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। তবে পুরো পথের নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি।

প্রকল্পের মূল নির্মাণকাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা, যার মধ্যে সরকার ২ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা এবং বাকি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান খরচ করছে। জমি অধিগ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও পরামর্শকদের পেছনে আলাদা একটি প্রকল্পে ৪ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকা। প্রকল্পটি ২০০৯ সালে নেওয়া হয়েছিল এবং ২০১১ সালে নির্মাণের চুক্তি হয়। তবে সময়মতো বাস্তবায়ন করা যায়নি।

"৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী সব যানবাহনের জন্য নির্ধারিত ছয় ঘণ্টা টোল–ফ্রি সুবিধা কার্যকর থাকবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (কাওলা থেকে এফডিসি পর্যন্ত)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তারেক রহমান (বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ ঘণ্টা বিনামূল্যে যাতায়াত, ১৯.৭৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য, ১৩ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকা মোট ব্যয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖