📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতের ৫০০ কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে উদ্ধার: বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রতিবেদন ও সমাজে বৈষম্যের বৃদ্ধি

ভারতের ৫০০ কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে উদ্ধার: বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রতিবেদন ও সমাজে বৈষম্যের বৃদ্ধি

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০১১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ভারত ৪৯৬ মিলিয়ন মানুষকে দারিদ্র্যরেখা থেকে উদ্ধার করেছে। তবে দেশটিতে আয় ও সম্পদ বৈষম্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে

ভারত বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ হিসেবে দারিদ্র্যরেখা থেকে প্রায় ৫০০ কোটি মানুষকে উদ্ধার করেছে। বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। ২০১১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশটির গরিবের হার ২৭.১ শতাংশ থেকে কমে ২.৬ শতাংশে নেমেছে। তবে এই অর্জনের পাশাপাশি ভারতের আয় ও সম্পদ বৈষম্য বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চের মধ্যে একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০১১-২০২৩ সালের মধ্যে ভারত ৪৯৬ মিলিয়ন মানুষকে দারিদ্র্যরেখা থেকে উদ্ধার করেছে।
  • 📌 দারিদ্র্যরেখা (প্রতি দিন ৩ ডলার) থেকে ২৭.১ শতাংশ থেকে কমে ২.৬ শতাংশে নেমেছে।
  • 📌 বিশ্বব্যাংক বলেছে, এই অগ্রগতি মূলত ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি (বিশেষত নারী শ্রমিকদের), এবং সামাজিক সহায়তা (খাদ্য সহায়তা) থেকে হয়েছে।
  • 📌 ২০২৬ সালে দারিদ্র্যরেখা (প্রতি দিন ৪.২০ ডলার) থেকে ১৪.২ শতাংশের মধ্যে থাকা মানুষের সংখ্যা ২০২৮ সালের মধ্যে ১২.১ শতাংশে নেমে আসবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 ভারত বিশ্বের একমাত্র নিম্ন-মধ্যমা আয়ের দেশ যা জি-২০ দেশের মধ্যে রয়েছে।
  • 📌 ভারতের দারিদ্র্য হ্রাসের হার বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত।
  • 📌 ২০২৬ সালে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭.১ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে।
  • 📌 কেরালা ভারতের প্রথম রাজ্য যা দারিদ্র্যরেখা থেকে মুক্ত ঘোষণা করেছে।

📰 বিস্তারিত

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের দারিদ্র্য হ্রাসের হার বিশ্বের মধ্যে অন্যতম দ্রুত। এই অর্জন চীনকে ছাড়িয়ে গেছে, যেখানে ৪০ বছরে ৮০০ মিলিয়ন মানুষকে দারিদ্র্যরেখা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে ভারতের দারিদ্র্য হ্রাসের পেছনে রয়েছে শক্তিশালী ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি (বিশেষত নারী শ্রমিকদের) এবং সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির প্রসার।

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া দারিদ্র্য বিশেষজ্ঞ আয়াগো ওয়াম্বিলের নেতৃত্বে তৈরি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের দারিদ্র্য হ্রাসের হার ধীরে ধীরে কমে যাবে। ২০২৬ সালে প্রতি দিন ৪.২০ ডলারের দারিদ্র্যরেখা থেকে ১৪.২ শতাংশের মধ্যে থাকা মানুষের সংখ্যা ২০২৮ সালের মধ্যে ১২.১ শতাংশে নেমে আসবে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে বলেছেন, “একটি ঐতিহাসিক দারিদ্র্য হ্রাস। একটি প্রজন্মের সুযোগ বৃদ্ধি।”

২০২২ সালের একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, কেরালা ভারতের প্রথম রাজ্য যা দারিদ্র্যরেখা থেকে মুক্ত ঘোষণা করেছে। এই রাজ্যের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিসংখ্যান অন্যান্য প্রধান রাজ্যের তুলনায় সর্বোচ্চ।

বিশ্বব্যাংক বলেছে, ভারতের দারিদ্র্য হ্রাসের হার বিশ্বের মধ্যে অন্যতম দ্রুত। তবে এই অর্জনের পাশাপাশি ভারতের আয় ও সম্পদ বৈষম্য বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চের মধ্যে একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

"দারিদ্র্য হ্রাসের এই অগ্রগতি মূলত শক্তিশালী ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি (বিশেষত নারী শ্রমিকদের) এবং খাদ্য সহায়তা সহ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির প্রসার থেকে হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত, কেরালা রাজ্য
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, আয়াগো ওয়াম্বিল (বিশ্বব্যাংক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৯৬ মিলিয়ন (উদ্ধারকৃত মানুষ), ২৭.১% থেকে ২.৬% (গরিবের হার), ৭.১% (অর্থনৈতিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖