📌 ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইমাম হাসান তাইমের হত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ দ্বিতীয় দিনের যুক্তিতর্কের শুনানি ৫ নভেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দিয়েছে। মিজানুল ইসলামের অসুস্থতার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মামলায় ১১ আসামির মধ্যে দুজন গ্রেফতার, বাকিদের পলাতক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ইমাম হাসান তাইম হত্যা মামলায় দ্বিতীয় দিনের যুক্তিতর্কের শুনানি ৫ নভেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দিয়েছে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন প্যানেল প্রসিকিউশনের আবেদন মেনে এই সিদ্ধান্ত নেয়। রোববার (২৫ অক্টোবর) শুনানিতে জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলামের শারীরিক অসুস্থতার কারণে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ নভেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয় ইমাম হাসান তাইম হত্যা মামলার দ্বিতীয় দিনের যুক্তিতর্কের শুনানি।
- 📌 ২০২৪ সালের ২০ জুলাই যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় চায়ের দোকানে আশ্রয় নেওয়া তাইমকে পুলিশের গুলিতে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।
- 📌 ১১ আসামির মধ্যে দুজন গ্রেফতার (আবুল হাসান ও শাহাদাত আলী), বাকি ৯ জন পলাতক।
- 📌 ২৫ থেকে ৩০ জন পুলিশ সদস্য শাটার খুলতে বলার পর গুলি চালিয়ে তাইমকে হত্যা করে বলে অভিযোগ।
- 📌 ২৫ হাজার টাকার সিগারেটসহ দোকানের মালামাল লুটের অভিযোগ প্রসিকিউশন আনে।
📰 বিস্তারিত
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় ইমাম হাসান তাইমের হত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ দ্বিতীয় দিনের যুক্তিতর্কের শুনানি ৫ নভেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দিয়েছে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন প্যানেল রোববার (২৫ অক্টোবর) এই সিদ্ধান্ত নেয়। প্রসিকিউশনের আবেদন অনুযায়ী, জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলামের শারীরিক অসুস্থতার কারণে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য সময় প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়।
প্রথম দিনের শুনানিতে (১২ অক্টোবর) রাষ্ট্রপক্ষ ২০২৪ সালের ২০ জুলাই যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নেওয়া তাইমকে পুলিশের গুলিতে হত্যার ঘটনার বিবরণ উপস্থাপন করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য, পুলিশ সদস্যদের গুলি চালানোর ভিডিও ও স্থিরচিত্র প্রদর্শিত হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, ওই দিন বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও তাইম ও তাঁর বন্ধুরা দোকানের শাটার নামিয়ে দেন। পরে পুলিশ সদস্যদের গুলিতে তাইমের বাঁ পায়ে ও কোমরে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
মামলায় ১১ আসামির মধ্যে বর্তমানে দুজন গ্রেফতার রয়েছেন — যাত্রাবাড়ী থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান ও সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদাত আলী। অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছে ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ইকবাল হোসাইন, শাকিল মোহাম্মদ শামীম, মো. মাসুদুর রহমান মনির, নাহিদ ফেরদৌস, জাকির হোসেন, ওহিদুল হক মামুন এবং সাজ্জাদ উজ জামান — যারা সবাই পলাতক হিসেবে চিহ্নিত।
"একটা গুলি করি, একটাই যায়, বাকিডি যায় না, স্যার।"
প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত ভিডিওতে ইকবাল হোসাইন-এর এই কথা শোনা যায়। এছাড়া তাইমকে গুলি করার ভিডিও এবং সাজ্জাদ উজ জামানের স্থিরচিত্রও ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শিত হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশে খুব কাছ থেকে গুলি চালিয়ে তাইমকে হত্যা করা হয়। তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাঁর বন্ধু রাহাতকেও গুলি করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, যাত্রাবাড়ী (কাজলা এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমাম হাসান তাইম, বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, মিজানুল ইসলাম, ফারুক আহাম্মদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ আসামি, ২ গ্রেফতার, ৯ পলাতক, ২৫-৩০ জন পুলিশ সদস্য, ২৫ হাজার টাকা মালামাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!