📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হানিট্র্যাপে ফেলে হত্যা: শিহাবের পরিবার দাবি প্রেমিকা মাহজাবিনের পিছনে ষড়যন্ত্র

হানিট্র্যাপে ফেলে হত্যা: শিহাবের পরিবার দাবি প্রেমিকা মাহজাবিনের পিছনে ষড়যন্ত্র

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বসুন্ধরায় গাড়ি ব্যবসায়ী শিহাব উদ্দিনের মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও পরিবার দাবি করছে, তাঁর প্রেমিকা মাহজাবিন ইসলাম রিয়া পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে শিহাবের পরিবার হানিট্র্যাপের দাবি তুলে ধরেছেন এবং পিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন

বসুন্ধরার একটি বাসায় গাড়ি ব্যবসায়ী শিহাব উদ্দিনের মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও তাঁর পরিবার দাবি করছে, তাঁকে ‘হানিট্র্যাপে’ ফেলে হত্যা করেছে তাঁর প্রেমিকা মাহজাবিন ইসলাম রিয়া। পরিবারের সদস্যরা আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি তুলে ধরেন এবং পুলিশ তদন্তের অভিযোগ উত্থাপন করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শিহাব উদ্দিনের পরিবার দাবি করছে, তাঁকে ‘হানিট্র্যাপে’ ফেলে হত্যা করেছে প্রেমিকা মাহজাবিন ইসলাম রিয়া
  • 📌 ২০ আগস্ট বসুন্ধরার বাসা থেকে শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়; ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে
  • 📌 সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা যায়, মাহজাবিন শিহাবকে হত্যার হুমকি দিচ্ছিলেন বাঁটি হাতে
  • 📌 মামলায় প্রধান আসামি মাহজাবিন জামিন পেয়েছেন, পরিবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন
  • 📌 পরিবার দাবি করেছেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত তত্ত্বাবধায়ক মুসা ও অজ্ঞাত নারী সম্পর্কে তদন্তের দরকার

📰 বিস্তারিত

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় গত ২০ আগস্ট শিহাব উদ্দিনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে পরিবারের সদস্যরা প্রশ্ন তুলেছেন। শিহাবের বাবা যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী আবদুল মালেক, ভাই সালাহউদ্দিন মালেক, শামীম এম এ মালেক ও সাইফুদ্দিন মালেকসহ পরিবারের সদস্যরা আজ রোববার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন। তারা দাবি করেন, শিহাবকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে তাঁর প্রেমিকা মাহজাবিন ইসলাম রিয়া। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

শিহাবের ভাই সালাহউদ্দিন মালেক জানান, শিহাব ২০১৮ সালে চট্টগ্রামে রেস্তোরাঁ ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। পরে ঢাকায় এসে গাড়ি ব্যবসা শুরু করেন। ঢাকায় থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে মাহজাবিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একসময় শিহাব মাহজাবিনকে বিয়ের প্রস্তাব দেন, কিন্তু সে রাজি ছিলেন না। এর ফলে তাদের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। সম্পর্কের অবনতি ঘটলে শিহাব পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

২০ আগস্ট সন্ধ্যায় বসুন্ধরার বাসা থেকে শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার দিনের বাসার সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মাহজাবিন বাঁটি হাতে শিহাবকে হত্যার হুমকি দিচ্ছিলেন। পরিবার জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় বাসায় তত্ত্বাবধায়ক মুসা ও এক অজ্ঞাত নারী উপস্থিত ছিলেন। তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মামলাটি ঢাকার ভাটারা থানায় ২৫ আগস্ট শিহাবের বড় ভাই সাইফুদ্দিন মালেক বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করেন। মামলায় মাহজাবিন ইসলাম রিয়া আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরিবার দাবি করেছেন, ঘটনাস্থলের তদন্ত, শারীরিক আঘাতের চিহ্ন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং ঘটনার আগে-পরে ফোন কল ও বার্তা বিশ্লেষণের দরকার।

"শিহাবকে ‘হানিট্র্যাপে’ ফেলা হয়। তিনি বিয়ের প্রস্তাব দিলেও মাহজাবিন রাজি ছিলেন না। এরপর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।"

সাইফুদ্দিন মালেক আরও জানান, মামলার প্রধান আসামি মাহজাবিন ইসলাম রিয়া আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন। পরিবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শিহাবের সঙ্গে মাহজাবিনের সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল এবং আত্মহত্যা হিসেবে প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হয়েছিল। তবে পরিবার দাবি করে, ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যা।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিহাব উদ্দিন, মাহজাবিন ইসলাম রিয়া, সালাহউদ্দিন মালেক, সাইফুদ্দিন মালেক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ আগস্ট (মৃত্যু), ১১:০০ (সংবাদ সম্মেলন), ২৫ আগস্ট (মামলা দায়ের)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖