📌 গাইবান্ধার হরিদাস চন্দ্র ও ওবায়দুল ইসলামের ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় ঢাকার আদালত হরিদাসকে দুই দিনের রিমান্ড এবং ওবায়দুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দাবি করেছেন, হরিদাস আগেও প্রতারণায় জড়িত ছিলেন
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ৮১ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগের সাথে জড়িত হরিদাস চন্দ্র ও ওবায়দুল ইসলামের ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন আদালত দুই দিনের রিমান্ড ও কারাগার আদেশ দিয়েছেন। মামলায় হরিদাসকে রিমান্ডে রাখা এবং ওবায়দুলকে কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হরিদাস চন্দ্রকে দুই দিনের রিমান্ডে রাখা হয়েছে ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায়।
- 📌 ওবায়দুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
- 📌 ৭৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা প্রতারণার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
- 📌 রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দাবি করেছেন, হরিদাস আগেও প্রতারণায় জড়িত ছিলেন।
- 📌 ১২ জুলাই থেকে হরিদাস কারাগারে আছেন।
- 📌 ৬ সেপ্টেম্বর ওবায়দুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
📰 বিস্তারিত
মামলার শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন আদালতকে জানান, হরিদাস আগে ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনার সময়ে’ প্রতারণায় কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি বলেন, হরিদাস প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসারের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা চালিয়েছেন। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানের কাছে ৭৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতারণা করেছেন। শামসুদ্দোহা সুমন দাবি করেন, হরিদাসের রিমান্ডে নিলে মামলার রহস্য ও সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে।
আসামি হরিদাসের আইনজীবী বাসুদেব গুহ রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। তিনি দাবি করেন, হরিদাসের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা এবং তাঁকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে মামলা করা হয়েছে। অন্যদিকে ওবায়দুলের আইনজীবী আশিকুর রহমান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য অপ্রাসঙ্গিক বলে উল্লেখ করেন এবং রিমান্ড আবেদন বাতিলের দাবি করেন।
আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনার পর হরিদাস চন্দ্রের দুই দিনের রিমান্ড এবং ওবায়দুল ইসলামের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পুলিশি নিরাপত্তায় হরিদাস ও ওবায়দুলকে আদালত থেকে হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
"ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় হরিদাসের রিমান্ডে নিলে মামলার রহস্য বেরিয়ে আসবে। তিনি আগেও প্রতারণায় জড়িত ছিলেন।"
— রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, উত্তরা পশ্চিম থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হরিদাস চন্দ্র, ওবায়দুল ইসলাম, ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন, আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন, বাসুদেব গুহ, আশিকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১ ফুট (রামমূর্তি), ৭৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা (প্রতারণার অর্থ), ১২ জুলাই (হরিদাস কারাগারে), ৬ সেপ্টেম্বর (ওবায়দুল গ্রেপ্তার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!