📌 ভারতের বিজেপি এমপি নিশিকান্ত দুবে দাবি করেছেন, জওহরলাল নেহরুর নীতির কারণে বাংলাদেশের নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের হাত থেকে পাকিস্তানের কাছে চলে গেছে। তিনি ত্রিপুরা রাজ্যের ঐতিহাসিক দাবি তুলে ধরেছেন এবং নেহরুর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন বাধা দানের অভিযোগ করেছেন।
ভারতের বিজেপির লোকসভা সদস্য নিশিকান্ত দুবে জওহরলাল নেহরুর নীতিকে দায়ী করে দাবি করেছেন, বাংলাদেশের নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের হাত থেকে পাকিস্তানের কাছে চলে গেছে। তিনি বলেছেন, এই তিনটি অঞ্চল তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের অন্তর্গত ছিল এবং নেহরু তাদের জোর করে পাকিস্তানকে হস্তান্তর করেছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিশিকান্ত দুবে দাবি করেছেন, নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দর তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ ছিল এবং নেহরু তাদের পাকিস্তানকে দিয়েছিলেন।
- 📌 তিনি বলেছেন, ১৯৪৬ সালের নোয়াখালী দাঙ্গায় ১০ হাজার হিন্দু নিহত হলেও নেহরু কখনো সেখানে যাননি।
- 📌 ত্রিপুরা রাজা বীর বিক্রম সিং নেহরুকে প্রশ্ন করেছিলেন যে, কী অধিকারে তিনি রাজ্যের অংশ হস্তান্তর করতে পারেন?
- 📌 ১৯৪৮ সালে ত্রিপুরা আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়, কিন্তু নিশিকান্ত দাবি করেন, চট্টগ্রাম বন্দর হাতে থাকলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হতো না।
- 📌 তিনি অভিযোগ করেছেন, সিলেটের গণভোট পরিচালনাকারী বাহারুল ইসলাম ছিলেন মুসলিম লীগের সদস্য এবং নোয়াখালী গণহত্যায় জড়িত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
ভারতের লোকসভা সদস্য নিশিকান্ত দুবে জওহরলাল নেহরুর নীতিকে দায়ী করে বলেছেন, বাংলাদেশের নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দর তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের অন্তর্গত ছিল। তিনি বলেন, নেহরু এই তিনটি অঞ্চল জোর করে পাকিস্তানকে হস্তান্তর করেছিলেন। সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেছেন, তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাজা বীর বিক্রম সিং নেহরুকে প্রশ্ন করেছিলেন যে, কী অধিকারে তিনি রাজ্যের অংশ হস্তান্তর করতে পারেন। রাজা বলেছিলেন, ‘আমিই ঠিক করব, ভারতের সঙ্গে থাকব, পাকিস্তানে যাব নাকি স্বাধীন থাকব’।
নিশিকান্ত দুবে বলেন, ১৯৪৬ সালের নোয়াখালী দাঙ্গায় এক দিনে ১০ হাজার হিন্দু নিহত হলেও নেহরু কখনো সেখানে যাননি। তিনি আরও দাবি করেছেন, নেহরু বেশি আগ্রহী ছিলেন মুসলিম লীগকে সরকারে ভেড়াতে। তিনি বলেন, ‘আজ উত্তর-পূর্বাঞ্চল যে পিছিয়ে রয়েছে, সেখানকার খনিজ সম্পদ এবং মজুত গ্যাসের সদ্ব্যবহার করা যাচ্ছে না, ওই তল্লাটে যদি বিচ্ছিন্নতাবোধ টিকে থাকে, তাহলে তার একমাত্র কারণ হলো চট্টগ্রাম বন্দর হাতে না থাকা’।
ত্রিপুরা রাজ্য ১৯৪৮ সালের অক্টোবর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। কিন্তু নিশিকান্ত দাবি করেন, চট্টগ্রাম বন্দর হাতে থাকলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হতো না। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, সিলেটের গণভোট পরিচালনাকারী বাহারুল ইসলাম ছিলেন মুসলিম লীগের সদস্য এবং নোয়াখালী গণহত্যায় জড়িত ছিলেন। পরে কংগ্রেস তাঁকে দফায় দফায় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে রাজ্যসভার সদস্য, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পর্যন্ত বানিয়েছিল।
"নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দর তিনটিই ছিল ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ। আজ যা ত্রিপুরা, আগে তার নাম ছিল তিপ্রা। সেখানকার রাজা ছিলেন বীর বিক্রম সিং। নেহরুর নীতির ধারাবাহিক বিরোধিতা তিনি করে যাচ্ছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত (লোকসভা), ত্রিপুরা রাজ্য, নোয়াখালী, সিলেট, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এমপি নিশিকান্ত দুবে, রাজা বীর বিক্রম সিং, জওহরলাল নেহরু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার (নিহত), ১৫ অক্টোবর (নোয়াখালী দাঙ্গা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!