📌 রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে তার ষষ্ঠ স্ত্রী আন্নি আক্তার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে কর্মকর্তা জেলায় যান সেখানেই কালেমা পড়ে বিয়ে করতেন। ঘটনায় পুলিশ অভিযোগ নিবন্ধন করছে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে
রাজশাহী নগরের চন্দ্রিমা থানায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে তার নিজে দাবি করা ষষ্ঠ স্ত্রী আন্নি আক্তার বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে কর্মকর্তা জেলায় যান সেখানেই কালেমা পড়ে বিয়ে করতেন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঘটনাস্থলে পুলিশের হস্তক্ষেপের পর এই অভিযোগের আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আন্নি আক্তার নিজেকে সাবেক ওসি মাহবুব আলমের ষষ্ঠ স্ত্রী বলে দাবি করেছেন এবং দাবি করেছেন যে কর্মকর্তা জেলায় যান সেখানেই কালেমা পড়ে বিয়ে করতেন
- 📌 সাবেক ওসি মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা থানায় লিখিত অভিযোগ নিবন্ধন করা হয়েছে
- 📌 ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় উদ্ধার করা মাহবুব আলম ও অন্য এক নারীকে পুলিশ দুটি পৃথক কক্ষে আটকে রেখেছে
- 📌 মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অপরাধের অভিযোগ উঠেছে, কারণ তিনি কর্মস্থল ছাড়াই রাজশাহীতে অবস্থান করছিলেন
- 📌 ২০২৪ সালে মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার গোপন ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তাকে চন্দ্রিমা থানার ওসি পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
নওগাঁর বাসিন্দা ও কনটেন্ট নির্মাতা আন্নি আক্তার জানান, তিনি মাহবুব আলমের সাথে চলতি বছরের শুরুতে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন যে কর্মকর্তা প্রতিটি কর্মস্থলে একাধিক গোপন সম্পর্ক ও বিয়ের প্রবণতা রাখতেন। বৃহস্পতিবার রাতে আন্নি জানতে পারেন যে মাহবুব আলম তার কথিত পালিত মেয়ের নামে ভাড়ায় নেওয়া নাদের হাজির মোড়ের ফ্ল্যাটে এক নারীকে নিয়ে অবস্থান করছেন। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটায় আন্নি ফ্ল্যাটে গিয়ে দরজায় কড়া নাড়লেও কোনো সাড়া না পাওয়ার পর তিনি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় দরজা ভেঙে মাহবুব আলম ও ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়। দরজা খোলার পর মাহবুব আলম ওই নারীকে নিজের স্ত্রী বলে দাবি করলেও কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। অন্যদিকে, মাহবুব দাবি করেছেন যে আন্নিকে চার দিন আগে তালাক দিয়েছেন, কিন্তু আন্নি জানান যে তিনি এসংক্রান্ত কোনো আইনি কাগজপত্র পাননি। বর্তমানে দুজনকে চন্দ্রিমা থানার দুটি পৃথক কক্ষে আটকে রাখা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছেন, মাহবুব আলম কোনো প্রাতিষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থল ত্যাগ করে রাজশাহীতে অবস্থান করছিলেন, যা প্রশাসনিক অপরাধ। নওগাঁ জেলা পুলিশ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। চন্দ্রিমা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ সিদ্দিকী জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
"‘উনি যে জেলায় যান, সে জেলায়ই কালেমা পড়ে বিয়ে করেন’ — আন্নি আক্তার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী নগর, চন্দ্রিমা থানা, নাদের হাজির মোড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আন্নি আক্তার, সাবেক ওসি মাহবুব আলম, মোস্তাক আহমেদ, মাহমুদ সিদ্দিকী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০৭:২৭ (সকাল), ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ সেপ্টেম্বর, ৯৯৯ (জরুরি সেবা নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!