📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সংগীতের উচ্চশিক্ষা থেকে পেশা পর্যন্ত: বাংলাদেশে কোথায় পড়বেন এবং কী সুযোগ পাবেন?

সংগীতের উচ্চশিক্ষা থেকে পেশা পর্যন্ত: বাংলাদেশে কোথায় পড়বেন এবং কী সুযোগ পাবেন?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সংগীত শিল্পী হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংগীতের ইতিহাস, বিভিন্ন ধারার গান, বাদ্যযন্ত্র এবং আধুনিক শব্দপ্রযুক্তি শেখানো হয়। স্নাতক সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা বিসিএস, শিক্ষকতা, গণমাধ্যম এবং সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়। ২০২৭ সালের মার্চ মাসে বিভিন্ন ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে

সংগীত শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং মানব চিত্তের প্রশান্তি ও সংস্কৃতির অন্যতম মূলধারা। প্রাচীন সিন্ধু অববাহিকায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ থেকে ১৫০০ অব্দের মধ্যে সংগীতের আদি রূপের সন্ধান পাওয়া যায়। বিশ্বের বিভিন্ন মহান সাধক যেমন মোৎসার্ট, বিটোফেন, লালন শাহ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের মতো ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে সংগীতের চেতনা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষায় সংগীতের পথ শুরু হয় ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংগীতের ইতিহাস, লোকসংগীত, বাংলা গানের বিবর্তন, ধ্রুপদ, খেয়াল, কীর্তন, শ্যামাসংগীত, ইসলামী গান এবং বাদ্যযন্ত্রের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
  • 📌 বাংলাদেশের ঢাকা, রাজশাহী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ, চট্টগ্রাম এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বহু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিভাগ রয়েছে।
  • 📌 স্নাতক শিক্ষার্থীরা বিসিএসের সাধারণ ও নন-ক্যাডার পদে, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা, বাংলাদেশ বেতার, বিটিভি, শিল্পকলা একাডেমি এবং গণমাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়।
  • 📌 ২০২৭ সালের ১৯, ২০ ও ২৭ মার্চ ‘বি’, ‘সি’, ‘ডি’ এবং ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
  • 📌 প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংগীত বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে স্বনির্ভর হওয়ারও সুযোগ রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

সংগীত শিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস খুব বেশি প্রাচীন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে ১৭১৭ সালে প্রথম সংগীত বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৮৩২ সালে ‘বোস্টন একাডেমি অব মিউজিক’ গঠিত হয়। ভারতীয় উপমহাদেশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সংগীত শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করেন এবং ১৯০১ সালে শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত ভবন প্রতিষ্ঠা করেন।

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষায় সংগীতের পথ শুরু হয় ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংগীত কলা অনুষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে সংগীতের ইতিহাস, লোকসংগীত, বাংলা গানের বিবর্তন, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সংগীতের ইতিহাস এবং দেশ-বিদেশের মহান সংগীতসাধকদের জীবনদর্শন পড়ানো হয়। এছাড়াও ধ্রুপদ, খেয়াল, টপ্পা, ঠুমরি, কীর্তন, ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি, শ্যামাসংগীত, ইসলামী গান ও স্বদেশপ্রেমের গানের মতো বিচিত্র ধারার গান এবং বাদ্যযন্ত্রের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

সংগীতের উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে ঢাকা, রাজশাহী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। পাশাপাশি বহু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারি/ডিগ্রি সংগীত কলেজেও উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে। প্রতিবেশী ভারতেও বিশ্বভারতী, রবীন্দ্রভারতী, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়সহ শতাধিক প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে। বিদেশে জার্মানি, জাপান, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে আইসিসিআর এবং সরকারি বৃত্তির মাধ্যমে উচ্চতর গবেষণার সুযোগ রয়েছে।

সংগীত স্নাতক শিক্ষার্থীরা বিসিএসের সাধারণ ও নন-ক্যাডার পদে, পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা এবং সাংস্কৃতিক সংস্থায় পেশা হিসেবে যুক্ত হতে পারেন। বাংলাদেশ বেতার, বিটিভি, শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমেও ডিগ্রিধারীদের কাজের সুযোগ রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক চাকরির বাইরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংগীত বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগও রয়েছে।

"সংগীত মানসিক প্রশান্তি ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে সহিষ্ণুতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং মৌলবাদমুক্ত প্রগতিশীল ধারা বজায় রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, শান্তিনিকেতন, বোস্টন, দিল্লি, জার্মানি, জাপান, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন শাহ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৯৪ (বাংলাদেশে সংগীত বিভাগের প্রতিষ্ঠা), ৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ২০২৭ সালের ১৯, ২০ ও ২৭ মার্চ (ভর্তি পরীক্ষা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖