📌 র্যাব বিলুপ্তির নামে নতুন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিলে র্যাবের মতো ক্ষমতা ও সংস্কৃতি বজায় রাখার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। বিলে অস্পষ্ট ক্ষমতা, জবাবদিহিতার অভাব ও সন্দেহের ভিত্তিতে তল্লাশি-গ্রেফতার সুযোগের কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে
ঢাকা: র্যাব বিলুপ্তির নামে নতুন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিলে র্যাবের মতো ক্ষমতা ও সংস্কৃতি বজায় রাখার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি মনে করে, বিলে অস্পষ্ট ক্ষমতা, জবাবদিহিতার অভাব, সন্দেহের ভিত্তিতে তল্লাশি ও গ্রেফতার সুযোগ এবং অভ্যন্তরীণ অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার স্বার্থের দ্বন্দ্বের কারণে নতুন বাহিনীও র্যাবের মতোই ক্ষমতায়িত ও জবাবদিহিহীন হয়ে উঠতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টিআইবি মনে করে, নতুন বাহিনীও র্যাবের মতোই ক্ষমতায়িত ও জবাবদিহিহীন হয়ে উঠতে পারে
- 📌 বিলে অস্পষ্ট ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যেমন: গোয়েন্দা নজরদারি, অভিযান, তল্লাশি ও সাধারণ তদন্ত
- 📌 সন্দেহের ভিত্তিতে পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি ও গ্রেফতার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা আইনগত লঙ্ঘন
- 📌 অভ্যন্তরীণ অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটি স্বার্থের দ্বন্দ্বে দুষ্ট, তদন্ত নিরপেক্ষ নয়
- 📌 র্যাবের সদস্য যাচাই-বাছাই ছাড়া নতুন বাহিনীতে স্থানান্তরিত হতে পারে
📰 বিস্তারিত
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধায় টিআইবির পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়েছে। বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, র্যাব বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে ইতিবাচক পদক্ষেপ। কিন্তু একটি বাহিনীর নাম পরিবর্তন করলেই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার হয় না। র্যাবের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও নির্যাতনের অভিযোগ পুনরাবৃত্তি রোধে নতুন বাহিনীর কাঠামো, জনবল, ক্ষমতা ও জবাবদিহির ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে।
বিলে ‘এসআরবি’কে অস্পষ্ট ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, গোয়েন্দা নজরদারি থেকে শুরু করে অভিযান, তল্লাশি ও সাধারণ তদন্তের মতো বহুমুখী ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, ‘অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা’ বা ‘সরকার কর্তৃক নির্দেশিত অন্যান্য দায়িত্ব’-এর মতো অস্পষ্ট শব্দবন্ধের উপস্থিতি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভিন্নমত দমন ও বলপ্রয়োগের ঝুঁকি তৈরি করেছে।
বিলের ২২ ধারায় প্রস্তাবিত অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা সমালোচিত হয়েছে। বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে গঠিত অভিযোগ প্রতিকার কমিটি স্বার্থের দ্বন্দ্বে দুষ্ট। কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের সহকর্মীদের দিয়ে তদন্ত করা যাবে না। টিআইবি দাবি করেছে, তদন্তের জন্য পুলিশ ও নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত, মানবাধিকার ও আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন কমিটি গঠন করতে হবে।
"নামে একই ধরনের ক্ষমতা ও সংস্কৃতির একটি বাহিনী গড়ে উঠলে তা হবে কেবলই পুরনো প্রতিষ্ঠানের খোলস বদলানোর শামিল। কেবল একটি কসমেটিক মেকওভার-এর মাধ্যমে দেশের নাগরিক বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করা যাবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. ইফতেখারুজ্জামান, মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ সেপ্টেম্বর, ২২ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!