📌 দুদক সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী দিলশাদ নাহার কাকলীর দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধানের জন্য কর্মকর্তা নিয়োগ করেছে। অভিযোগ রয়েছে ১০০ কোটি টাকার বাড়ি-বাংলো কেনা ও বিদেশে অবৈধ সম্পদ সংগ্রহে
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী দিলশাদ নাহার কাকলীর দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধানের জন্য কর্মকর্তা নিয়োগ করেছে। এতে অভিযোগ রয়েছে ১০০ কোটি টাকার বাড়ি-বাংলো কেনা, বিদেশে অবৈধ সম্পদ সংগ্রহ এবং অর্থ পাচারের।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুদক সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ ও স্ত্রী দিলশাদ নাহার কাকলীর সম্পদ যাচাই শুরু করেছে।
- 📌 অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন।
- 📌 অভিযোগ রয়েছে ১০০ কোটি টাকার বাড়ি-বাংলো কেনা, ঢাকার নিকুঞ্জ ও মিরপুরে বাসভবন, বিদেশে অবৈধ সম্পদ সংগ্রহ।
- 📌 ২০২৪ সালের মে মাসে আইনজীবী দুদককে অভিযোগ জানান, পরে সেপ্টেম্বরে তদন্ত শুরু হয়।
- 📌 জেনারেল আজিজের দুই ভাই হারিস ও তোফায়েল আহমেদ জোসেফের নামেও বাড়ি-জমি কেনার অভিযোগ রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, মিরপুর ডিওএইচএসের বাসভবন থেকে দিলশাদ নাহার কাকলীর দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধানের জন্য দুদক অনুসন্ধান কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেনকে নিয়োগ করেছে। বিধি অনুযায়ী অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের মে মাসে এক আইনজীবী দুদককে জেনারেল আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ জানান। পরে সেপ্টেম্বরে দুদক সিদ্ধান্ত নেয় জেনারেল আজিজ ও তাঁর দুই ভাই হারিস আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ জোসেফের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত শুরু করা।
অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে জেনারেল আজিজ রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে বাড়ি-ফ্ল্যাট কেনেছেন। বিশেষ করে ঢাকার নিকুঞ্জ-১-এর ৬ নম্বর সড়কে ‘আজিজ রেসিডেন্স’ নামে একটি বাড়ি কেনার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া মিরপুর ডিওএইচএসে বাড়ি এবং প্রায় ১০০ কোটি টাকার একটি আলিশান বাংলো নির্মাণের অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে।
দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যে রয়েছে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ সংগ্রহ এবং অর্থ পাচার করে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে ব্যবসা পরিচালনা ও বাড়ি কেনা। জেনারেল আজিজ ২০২১ সালের ২৩ জুন সেনাপ্রধানের পদ থেকে অবসর নেন। অবসরের প্রায় তিন বছর পর ২০২৪ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্র তাঁর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
"মিরপুর ডিওএইচএসের ঠিকানায় বসবাসকারী দিলশাদ নাহার কাকলীর দাখিল করা সম্পদ বিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধানের জন্য কমিশন অনুসন্ধান কর্মকর্তা এবং তদারককারী কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মিরপুর ডিওএইচএস, নিকুঞ্জ-১), মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, দুবাই, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, দিলশাদ নাহার কাকলী, সাজ্জাদ হোসেন, মো. আকতারুল ইসলাম, আইনজীবী, হারিস আহমেদ, তোফায়েল আহমেদ জোসেফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ কোটি টাকা (বাংলো নির্মাণ), ৬ নম্বর সড়ক (আজিজ রেসিডেন্স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!