📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ধানমন্ডির অস্ত্রবাহী ডাকাতির চক্র: অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যসহ ৯ জন গ্রেপ্তার, ৫ লাখ টাকা উদ্ধার

ধানমন্ডির অস্ত্রবাহী ডাকাতির চক্র: অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যসহ ৯ জন গ্রেপ্তার, ৫ লাখ টাকা উদ্ধার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজধানীর ধানমন্ডিতে অস্ত্রের মুখে ৩৮ লাখ টাকা ছিনতাই করে পালানোর চক্রের ৯ সদস্যকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত তিন সেনাসদস্য এবং র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা রয়েছে। ঘটনাস্থলে ৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে

রাজধানীর ধানমন্ডিতে অস্ত্রের মুখে ৩৮ লাখ টাকা ছিনতাই করে পালানোর চক্রের ৯ সদস্যকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত তিন সেনাসদস্য এবং র্যাবের সাবেক কর্মকর্তাদেরও জড়িত থাকার তথ্য উন্মোচিত হয়েছে। ঘটনাস্থলে ৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩৮ লাখ টাকা ছিনতাই করে পালানোর চক্রের ৯ সদস্যকে ধানমন্ডি মডেল থানায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত তিন সেনাসদস্য এবং র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা রয়েছে
  • 📌 ৩০ আগস্ট দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ধানমন্ডি মডেল থানাধীন ১২ নম্বর সড়কে ডিঙ্গি রেস্টুরেন্টের সামনে অস্ত্রের মুখে টাকা ছিনতাই করা হয়
  • 📌 ৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৩৫০ টাকা জাকারিয়া হোসেন ওরফে লেলিনের কাছ থেকে এবং ২ লাখ টাকা সজল চৌধুরীর কাছ থেকে পাওয়া যায়
  • 📌 গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মামলা রয়েছে, তানভীর আহমেদ জুয়েলের বিরুদ্ধে চারটি, সজল চৌধুরীর বিরুদ্ধে ছয়টি এবং জাকারিয়া হোসেনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে
  • 📌 পলাতক ডাকাতদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে, ঘটনায় ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

রোববার সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন ব্রিফিংয়ে জানান, গত ৩০ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে ধানমন্ডি মডেল থানাধীন ১২ নম্বর সড়কে ডিঙ্গি রেস্টুরেন্টের সামনে খোশেদ আলম নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে অস্ত্রের মুখে ৩৮ লাখ টাকা ছিনতাই করা হয়। টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ধানমন্ডি মডেল থানা পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তানভীর আহমেদ জুয়েল ও মো. মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে চার রাউন্ড গুলিসহ একটি দেশীয় রিভলভার উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার মুজিবুর রহমান ও তানভীরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণখান থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. জাকির হোসেন ওরফে ক্যাপ্টেন জাকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পটুয়াখালী, কুয়াকাটা বাসস্ট্যান্ড, মোহাম্মদপুর, বায়তুল মোকাররমসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের আরও ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে মো. জাকারিয়া হোসেন ওরফে লেলিনের কাছ থেকে লুট হওয়া ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৩৫০ টাকা এবং সজল চৌধুরীর কাছ থেকে ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫০ টাকা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ জানান, এই ঘটনায় পলাতক ও অজ্ঞাতনামা ডাকাত দলের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনায় ধানমন্ডি মডেল থানায় একটি ডাকাতি মামলা এবং একটি অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক মামলা রয়েছে। তানভীর আহমেদ জুয়েলের বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে, সেগুলো ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায়। সজল চৌধুরীর বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা পাওয়া গেছে, যেগুলো ডাকাতি ও ছিনতাই সংক্রান্ত। জাকারিয়া হোসেনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে—মাদক ও হত্যা/হত্যাচেষ্টার ঘটনায়। আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধেও তিনটি মামলা রয়েছে।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ভুক্তভোগী খোশেদ আলম সোনা কেনার জন্য টাকা নিয়ে ওই চক্রের সদস্যদের সঙ্গে ধানমন্ডির একটি স্থানে দেখা করতে যান। লেনদেনের সময় তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ভুক্তভোগীকে রিকশাযোগে ধানমন্ডির ডিঙ্গি রেস্টুরেন্টের সামনে নিয়ে আসা হয়। ওই এলাকায় আগে থেকেই লেলিনের নেতৃত্বে চার-পাঁচজনের একটি দল অবস্থান করছিল। তাদের দেওয়া সংকেত অনুযায়ী অন্য সদস্যরা রিকশাটির গতিরোধ করেন। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীকে মারধর করে তাঁর কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে কয়েকজন মোটরসাইকেলে করে টাকা নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

"ভুক্তভোগীকে সোনা কেনার জন্য টাকা নিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু সেখানে তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ছিনতাই করা হয়। এই ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে সোনা কেনা-বেচার সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন রয়েছে।"

গ্রেপ্তারদের মধ্যে তিনজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য রয়েছে। তাদের মধ্যে মো. মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। মোহাম্মদ জাকির হোসেন ওরফে ক্যাপ্টেন জাকির বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অনারারি ক্যাপ্টেন পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। আর সোলায়মান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার পদ থেকে অবসর নিয়েছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ধানমন্ডি, রাজধানী ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন, খোশেদ আলম, তানভীর আহমেদ জুয়েল, মো. মুজিবুর রহমান, মো. জাকির হোসেন ওরফে ক্যাপ্টেন জাকির, মো. সোলায়মান মৃধা, মোহাম্মদ কবির হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, মো. জাকারিয়া হোসেন ওরফে লেলিন, সজল চৌধুরী, সায়মুন চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ লাখ টাকা (ছিনতাই), ৯ জন (গ্রেপ্তার), ৩০ আগস্ট (ঘটনার তারিখ), ২টা ১০ মিনিট (ঘটনার সময়), ৫ লাখ টাকা (উদ্ধার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖