📌 দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালকসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মোঃ জাকারিয়া হোসেন আগামী ৪ অক্টোবর দুর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের নির্ধারিত দিনে কোনো সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর সময় চেয়ে আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী দিন হিসেবে আগামী ৪ অক্টোবরকে নির্ধারণ করেন। আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মিয়া জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ৪ অক্টোবর
- 📌 আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের নির্ধারিত দিনে কোনো সাক্ষী উপস্থিত হননি, ফলে সময় আবেদন মঞ্জুর
- 📌 অভিযুক্ত ছয়জন হলেন: সাহেদ করিম, আমিনুল হাসান, ডা: ইউনুস আলী, ডা: শফিউর রহমান ও ডা: দিদারুল ইসলাম
- 📌 সাহেদ করিম কারাগারে থাকায় আদালতে হাজির করা হয়; অন্যান্য আসামিরা জামিনে রয়েছেন
📰 বিস্তারিত
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। মামলাটির বিচারক ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মোঃ জাকারিয়া হোসেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণের দিনে কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর সময় চেয়ে আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে আগামী ৪ অক্টোবরকে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন হিসেবে ঘোষণা করেন।
মামলার অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোঃ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা: ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা: শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা: দিদারুল ইসলাম। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদও এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত। সাহেদ করিম কারাগারে থাকায় আদালতে তাকে হাজির করা হয়, অন্যদিকে জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দেন।
২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এর উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী এই মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দুদক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়নবিহীন রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে তিন হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষা করার অভিযোগ আনা হয়। এছাড়া অভিযুক্তরা অবৈধ পারিতোষিক হিসেবে রোগী প্রতি তিন হাজার ৫০০ টাকা হিসেবে মোট এক কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা গ্রহণ করেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।
"মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ অর্থ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। আগামী ৪ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে মামলার পরবর্তী ধাপ শুরু হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, সাহেদ করিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন অভিযুক্ত, ৪ অক্টোবর, ৩ হাজার ৯৩৯ জন রোগী, ৩ হাজার ৫০০ টাকা পারিতোষিক, এক কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!