📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৪৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপালের দাবি: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিপূরণ চায় চীন-ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের কাছে

নেপালের দাবি: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিপূরণ চায় চীন-ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের কাছে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত নেপাল সরকার এখন ক্ষতিপূরণ দাবি করছে বিশ্বের শীর্ষ তিন কার্বন নিঃসরণকারী দেশ চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক সহায়তা নয়, বরং ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবি করা হবে

ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত নেপাল সরকার এখন বিশ্বের শীর্ষ তিন কার্বন নিঃসরণকারী দেশ চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অর্থ সহায়তা নয়, বরং নৈতিক দায়বদ্ধতা হিসেবে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা উচিত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নেপাল সরকার চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে
  • 📌 পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্গঠনে অর্থ সহায়তা নয়, ক্ষতিপূরণ দাবি করা হবে
  • 📌 নেপালের দাবি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি ভোগ করছে নেপাল
  • 📌 দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২০৪ জন, নিখোঁজ ৪ হাজার ২১৬ জন
  • 📌 স্রোতের উচ্চতা ছিল ২০ থেকে ৩০ মিটার, গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার

📰 বিস্তারিত

নেপাল সরকার সম্প্রতি বিশ্বের শীর্ষ তিন কার্বন নিঃসরণকারী দেশ চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অর্থ সহায়তা নয়, বরং নৈতিক দায়বদ্ধতা হিসেবে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা উচিত। তিনি বলেন, "আমরা কেবল নেপালের জন্য নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য ওকালতি করছি। হিমালয়ের গ্লেসিয়ার যদি গলে যায়, তবে এ অঞ্চলের প্রায় ২০০ কোটি মানুষের জীবন সরাসরি হুমকিতে পড়বে।"

পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল কান্তিপুর টিভিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দেওয়া অর্থ সহায়তা হিসেবে নয়, বরং নৈতিক দায়বদ্ধতা হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত। তিনি দাবি করেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয়ের বরফ গলছে এবং এসব ভয়াবহ দুর্যোগ দেখা দিচ্ছে। অথচ গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণে নেপালের দায় নগণ্য।

তিনি আরও জানান, নুয়াকোট, রাসুয়া ও ঢাড়িং অঞ্চলে অন্তত ১০টি পৌরসভার ৩০ থেকে ৩২টি ওয়ার্ড মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্রোতের উচ্চতা ছিল ২০ থেকে ৩০ মিটার পর্যন্ত, গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৮০ কিলোমিটার।

"জলবায়ুর ক্ষেত্রে ‘সহায়তার বদলে ন্যায় ও ক্ষতিপূরণের ইস্যু মাথায় রেখে আমাদের কূটনৈতিক কাঠামো পরিবর্তন হবে। বিশ্বের শীর্ষ তিন গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ, যথাক্রমে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের ঐতিহাসিক দায়িত্ব হচ্ছে নেপালের মতো দেশগুলোর প্রতি দায়বদ্ধতা মেটানো।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: নিহত ১ হাজার ২০৪ জন, নিখোঁজ ৪ হাজার ২১৬ জন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖