📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩৮তম বিসিএসে জাল সনদে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে দুই কর্মকর্তাকে দেশত্যাগ নিষিদ্ধ আদেশ

৩৮তম বিসিএসে জাল সনদে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে দুই কর্মকর্তাকে দেশত্যাগ নিষিদ্ধ আদেশ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৩৮তম বিসিএসের প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত দুই কর্মকর্তাকে জাল সনদ ব্যবহারের অভিযোগে দেশত্যাগ নিষিদ্ধ করে আদালত। দুদকের তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন

৩৮তম বিসিএসের প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত দুই কর্মকর্তাকে জাল সনদ ব্যবহারের অভিযোগে দেশত্যাগ নিষিদ্ধ করে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবির। মঙ্গলবার আদালতে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ জারি করা হয়। দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমি প্রথম আলোকে জানান, এই দুই কর্মকর্তা হলেন প্রশাসন ক্যাডারের সঞ্জয় দাস (ঢাকার হাজারীবাগ) ও পররাষ্ট্র ক্যাডারের আবু সালেহ মো. মুসা (নেত্রকোনা)।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবির ৩৮তম বিসিএসের দুই কর্মকর্তাকে দেশত্যাগ নিষিদ্ধ করে আদেশ দেন
  • 📌 জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে দুদক মামলা দায়ের করে, তদন্ত চলছে
  • 📌 দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন আদালতে আবেদন করেন, আসামিরা অন্য দেশে পালানোর চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে
  • 📌 সঞ্জয় দাসের বাড়ি ঢাকার হাজারীবাগে, আবু সালেহ মো. মুসার বাড়ি নেত্রকোনায়

📰 বিস্তারিত

৩৮তম বিসিএসের প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত দুই কর্মকর্তাকে জাল সনদ ব্যবহারের অভিযোগে দেশত্যাগ নিষিদ্ধ করে আদালত। দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমি প্রথম আলোকে জানান, এই দুই কর্মকর্তা হলেন প্রশাসন ক্যাডারের সঞ্জয় দাস ও পররাষ্ট্র ক্যাডারের আবু সালেহ মো. মুসা। সঞ্জয়ের বাড়ি ঢাকার হাজারীবাগে, মুসার বাড়ি নেত্রকোনায়।

দুদকের সহকারী পরিচালক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন আদালতে আবেদন করেন। তিনি বলেন, সরকারি চাকরি পেতে আসামিরা প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জাল সনদ তৈরি করে। তারা এই জাল সনদকে প্রকৃত দলিল হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করেন। পিএসসিকে বিভ্রান্ত করে ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্ররোচিত করে তারা ৩৮তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে চাকরিতে যোগ দেন এবং বেতন-ভাতা উত্তোলন করেন। এভাবে তারা সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। আসামিরা অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের দেশত্যাগ ঠেকানো দরকার বলে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

"আসামিরা অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের দেশত্যাগ ঠেকানো দরকার"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর আদালত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবির, সঞ্জয় দাস, আবু সালেহ মো. মুসা, আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমি, সাজ্জাদ হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮তম বিসিএস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖