📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ডলার রিজার্ভ চুরি মামলায় আদালত ৯৮তমবার পিছিয়ে দেন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ

বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ডলার রিজার্ভ চুরি মামলায় আদালত ৯৮তমবার পিছিয়ে দেন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার রিজার্ভ চুরি মামলায় আদালত ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে দিয়েছেন। এটিই ৯৮তমবার এই ধরনের পিছিয়ে দেওয়া। মামলায় অভিযুক্ত জোবায়ের বিন হুদা ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে

ঢাকার একটি আদালত বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার রিজার্ভ চুরি মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ৯৮তমবার পিছিয়ে দিয়েছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন দিন নির্ধারণ করেন। এই মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন দাখিল না করায় আদালত ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার রিজার্ভ চুরি মামলায় আদালত ৯৮তমবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে দিয়েছেন
  • 📌 ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে, কারণ সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হয়েছে
  • 📌 ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে টাকা চুরি করা হয়
  • 📌 ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২-এর ৪ ধারা সহ অন্যান্য আইনের অধীনে মামলা দায়ের করা হয়
  • 📌 মামলায় অভিযুক্ত জোবায়ের বিন হুদা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক ছিলেন

📰 বিস্তারিত

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। পরে এই টাকা ফিলিপাইনে পাঠানো হয়। মামলায় অভিযুক্ত জোবায়ের বিন হুদা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক ছিলেন। তিনি ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২-এর ৪ ধারা, তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এর ৫৪ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২-এর অধীনে মামলা করেন।

মামলায় তদন্তের দায়িত্বে থাকা সিআইডি নয় বছরেও অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ পর্যন্ত আদালত ৯৮ বার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে দিয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন দিন নির্ধারণ করেন। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের সূত্রে জানা যায়, সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল না করায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে।

এই ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করতে ব্যর্থতার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, দেশের অভ্যন্তরে কোনো একটি চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ রিজার্ভের অর্থ পাচার করেছে।

"আজ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন দাখিল না করায় আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মেট্রোপলিটন আদালত)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জোবায়ের বিন হুদা (উপপরিচালক), অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম, সিআইডি তদন্তকর্তা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৮ বার (তারিখ পিছিয়ে দেওয়া), ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার (চুরি), ১৯ অক্টোবর (নতুন তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖