📌 গাইবান্ধা শহরে বাস টার্মিনাল এলাকায় বাসিন্দা হামিদুল নেশার টাকার জন্য ১১ মাস বয়সী একমাত্র কন্যাশিশু বিক্রির অভিযোগে মা রুমানা আক্তার আদালতে মামলা করেছেন। শিশুটিকে ফিরে পাওয়ার কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি
গাইবান্ধা শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় বাসিন্দা হামিদুল নেশার টাকার জন্য তার একমাত্র ১১ মাস বয়সী কন্যাশিশু বিক্রির অভিযোগে মা রুমানা আক্তার আদালতে মামলা করেছেন। পরিবার ও স্থানীয়রা দাবি করছেন, মাদকাসক্ত হামিদুল শিশুটিকে বিক্রি করে দিয়েছেন নেশার টাকা জোগাড় করতে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাইবান্ধা শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার বাসিন্দা হামিদুল ১১ মাস বয়সী একমাত্র কন্যাশিশু বিক্রির অভিযোগে মা রুমানা আক্তার মামলা করেছেন
- 📌 রুমানা জানান, স্বামী হামিদুল ২ মাস আগে বিকেল ৫টায় শিশুটিকে বাস টার্মিনালে নিয়ে যান এবং আর ফিরেননি
- 📌 হামিদুল মোবাইল ফোনে রুমানাকে বলেন, ১০ হাজার টাকা না দিলে শিশুটিকে বিক্রি করে দেবেন
- 📌 পরিবার দাবি, হামিদুল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং নেশার টাকা জোগাড়ের জন্য শিশুটিকে বিক্রি করেছেন
- 📌 শিশুটির বর্তমান অবস্থান বা বিক্রি হওয়ার বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি
📰 বিস্তারিত
রুমানা আক্তার জানান, প্রায় দুই মাস আগে বিকেল ৫টার দিকে তার স্বামী হামিদুল একমাত্র কন্যাশিশুকে বাস টার্মিনালের দিকে নিয়ে যান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। রুমানা বলেন, শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার পর হামিদুল মোবাইল ফোনে তাকে জানান, ১০ হাজার টাকা না দিলে শিশুটিকে বিক্রি করে দেয়া হবে। তবে আর্থিক সংকটের কারণে তিনি ওই টাকা দিতে পারেননি। এরপর থেকে শিশুটিকে ফিরে পাননি তিনি।
রুমানা ও তার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, পরিবহন শ্রমিক হামিদুল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশার টাকা জোগাড় করতেই শিশুটিকে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে বলে তাদের দাবি। রুমানা শিশুটির বর্তমান অবস্থান বা তাকে কার কাছে দেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য জানতে পারেননি।
রুমানা আক্তার সম্প্রতি আদালতে মামলা করেছেন শিশুটির ফিরে পাওয়ার জন্য। তবে শিশুটির বর্তমান অবস্থান বা তাকে কার কাছে দেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
"আমার স্বামী হামিদুল শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার পর আর ফিরেননি। মোবাইল ফোন বন্ধ করে দিয়েছেন, তাই আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাইবান্ধা শহরের বাস টার্মিনাল এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুমানা আক্তার, হামিদুল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ মাস (শিশুর বয়স), ১০ হাজার টাকা (বিক্রি মূল্য), ৫ টা (বিকেলের সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!