📌 হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে গ্রামীণ কল্যাণের দুটি আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। পাঁচ করবর্ষের বিপরীতে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দাবির বিরুদ্ধে করা রিট খারিজের রায় স্থগিত চাওয়ার আবেদন আজ চেম্বার আদালত বাতিল করেছে। গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী জানান, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না
হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে গ্রামীণ কল্যাণের দুটি আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। পাঁচটি করবর্ষের বিপরীতে প্রায় ৬৬৬ কোটি টাকা প্রদেয় কর দাবির বিরুদ্ধে করা রিট খারিজের রায় স্থগিত চাওয়ার আবেদন আজ সোমবার চেম্বার আদালত বাতিল করেছে। চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বাধীন আদালত এই আদেশ দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬৬৬ কোটি টাকা কর দাবি নিয়ে গ্রামীণ কল্যাণের দুটি রিট খারিজের রায় স্থগিত চাওয়ার আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 চেম্বার আদালত আজ সোমবার এই আদেশ দিয়েছেন বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
- 📌 গ্রামীণ কল্যাণের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সংস্থার বিরুদ্ধে কর দাবি ২০১২-১৭ করবর্ষের জন্য।
- 📌 হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, জানান গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন।
- 📌 রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, হাইকোর্টের রায়ের প্রত্যয়িত অনুলিপি গ্রহণের পর লিভ টু আপিল দায়ের করতে বলা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
পাঁচটি করবর্ষের বিপরীতে প্রায় ৬৬৬ কোটি টাকা প্রদেয় কর দাবিকে কেন্দ্র করে করা রিট খারিজের রায় স্থগিত চেয়ে গ্রামীণ কল্যাণের দুটি আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। চেম্বার আদালতের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আজ সোমবার এই আদেশ দিয়েছেন। গ্রামীণ কল্যাণের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সংস্থার বিরুদ্ধে কর দাবি ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষের জন্য।
২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ কর কমিশনারের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে দুটি রিট দায়ের করেছিল। প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল দিয়েছিল। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্ট কর কমিশনারের আদেশ বাতিল করে রায় দিয়েছিলেন। তবে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রিট দুটি খারিজের রায় দিয়েছিলেন, যা পরে ২৯ আগস্ট প্রত্যাহার করে নেন। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, দ্বৈত বেঞ্চের দ্বিতীয় বিচারক একসময় সরকারপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী জ্যেষ্ঠ সরদার জিন্নাত আলী ও আবদুল্লাহ আল মামুন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আবদুস সামাদ আজাদ। আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর নিয়মিত লিভ টু আপিল দায়ের করা হবে।’
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আবদুস সামাদ আজাদ জানান, ‘হাইকোর্টের রায়ের প্রত্যয়িত অনুলিপি গ্রহণের পর লিভ টু আপিল দায়ের করতে বলা হয়েছে।’
"লিভ টু আপিল দায়ের না করা পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত চাওয়া হয়েছিল। কেননা এই রায়ের ভিত্তিতে যাতে কোনো উদ্যোগ বা কার্যক্রম না নেওয়া হয়। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় বের না হওয়া পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না বলে রাষ্ট্রপক্ষ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আইনজীবী আশ্বস্ত করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাইকোর্টের চেম্বার আদালত, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি ফারাহ মাহবুব, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, জ্যেষ্ঠ সরদার জিন্নাত আলী, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, মোহাম্মদ আবদুস সামাদ আজাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬৬ কোটি টাকা (কর দাবি), ১০ সেপ্টেম্বর (রায়ের তারিখ), ২০১২-১৭ (করবর্ষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!