📌 রাজশাহীর বাঘা সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে 'কল্যাণ তহবিল' নামে প্রতিটি দলিলে ৫০০ টাকা করে চাঁদা তোলা চলছে। রাজনৈতিক প্রভাবের আড়ালে এই অনৈতিক অর্থ আদায়ের সংস্কৃতি নতুন সরকারের আমলেও অব্যাহত রয়েছে। সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নজরে আনা থেকে বিরত থাকছে
রাজশাহীর বাঘা সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে ‘কল্যাণ তহবিল’ নামে প্রতিটি দলিলে ৫০০ টাকা করে চাঁদা তোলার অপচর্চা অব্যাহত রয়েছে। ক্ষমতাপ্রাপ্ত নতুন সরকারের আমলে এই অনৈতিক অর্থ আদায়ের সংস্কৃতি রাজনৈতিক প্রভাবের আড়ালে পুনরাবৃত্তি করেছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অভিযুক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিরা অতীতের অপরাধের দিকে ইশারা দিয়ে সাফাই দিচ্ছেন এবং সংবাদ প্রকাশের পরিণতি নিয়ে হুমকি প্রদান করছেন। বিষয়টি সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে, কারণ আইনের শাসনকে অমান্য করে এই অপচর্চা চলতে থাকা দেশের জনগণের জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহীর বাঘা সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে প্রতিটি দলিলে ৫০০ টাকা করে ‘কল্যাণ তহবিল’ নামে চাঁদা তোলা চলছে
- 📌 সাংবাদিকদের বিষয়টি জিজ্ঞাসা করলে ‘আগের আমলে তো কিছু করতে পারেননি’ বলে সাফাই দেওয়া হচ্ছে
- 📌 সাবরেজিস্ট্রারের দাবি, বিষয়টি তাঁর নজরে আসেনি — এটি দায় এড়ানোর চেষ্টা বলে মনে করা হচ্ছে
- 📌 আইনমন্ত্রীও দেশজুড়ে সাবরেজিস্ট্রি অফিসে অনিয়মের অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছেন
- 📌 সরকারকে অবিলম্বে তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাঘা সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে ‘কল্যাণ তহবিল’ নামে প্রতিটি দলিলে ৫০০ টাকা করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অপচর্চা চলছে। এই অর্থের অজুহাত হিসেবে দেখানো হচ্ছে দুস্থ বা প্রয়াত সহকর্মীদের পরিবারকে সাহায্য করা। তবে এই অর্থ আদায়ের পদ্ধতি অনৈতিক এবং জোরপূর্বক সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা তোলা কোনো যুক্তিতে গ্রহণযোগ্য নয়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অভিযুক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিরা অতীতের অপরাধের দিকে ইশারা দিয়ে সাফাই দিচ্ছেন এবং সংবাদ প্রকাশের পরিণতি নিয়ে হুমকি প্রদান করছেন।
বিষয়টি খুবই উদ্বেগজনক, কারণ এটি আইনের শাসনকে সরাসরি অমান্য করে। স্থানীয় সাবরেজিস্ট্রারের বক্তব্য হচ্ছে, বিষয়টি তাঁর নজরে আসেনি। তবে এটি অবশ্যই দায় এড়ানোর চেষ্টা বলে মনে করা হচ্ছে। সরকারি কোনো কার্যালয়ের সীমানায় বা প্রাঙ্গণে অবৈধভাবে রসিদবিহীন অর্থ লেনদেন হলে তার দায় প্রথমত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপরই বর্তায়। কোনো লিখিত অভিযোগের অপেক্ষায় না থেকে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের অবিলম্বে তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক না কেন, বাঘা সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে চলতে থাকা এই চাঁদাবাজি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। দেশজুড়ে সাবরেজিস্ট্রি অফিস নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ নতুন নয়। সম্প্রতি আইনমন্ত্রীর বক্তব্যেও তা প্রকাশ পেয়েছে। সরকারকে আশা করা যাচ্ছে, সাবরেজিস্ট্রি অফিসে অনিয়ম, হয়রানি ও জনদুর্ভোগ বন্ধে সদা আন্তরিক থাকবে।
"আগের আমলে তো কিছু করতে পারেননি' বলে সাফাই দেওয়া কিংবা সংবাদ প্রকাশের পরিণতি নিয়ে হুমকি প্রদান করা কেবল রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বই প্রকাশ করে না, বরং এটি আইনের শাসনকে সরাসরি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর শামিল"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহীর বাঘা সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবরেজিস্ট্রার, অভিযুক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তি, সাংবাদিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!